ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই সারাদিন বেড়ানোর কথা বলে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ভাড়া নেয় তিন জন। এরপর সুযোগ বুঝে চালক ফারুক হোসেনকে (২০) খুন করে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। ঘটনার পাঁচ দিন পর পুলিশ হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা মাসুমসহ তিন জনকে আটক করেছে। এরপরই এসব তথ্য জানা যায়।
২ ফেব্রুয়ারি ফারুকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তার বড় ভাই আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে মাটিরাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা করে।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ জানায়, ৬ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটির লংগদু থেকে মাসুমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে চট্টগ্রাম ইপিজেড এলাকা থেকে আটক করা হয় হামিদুল ইসলাম ওরফে সাইদুল ও ফরিদ হোসেনকে। একইসঙ্গে ছিনতাই হওয়া সিএনজিটি উদ্ধার করে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে মাসুম খাগড়াছড়ির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সামিউল আলমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) শাহনুর আলম বলেন, ছিনতাইয়ের উদ্দ্যেশে মাসুম, আবু মুছা ও শাহনাজ আক্তার ১ ফেব্রুয়ারি ফারুকের সিএনজি রিজার্ভ করে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরে বেড়ায়। সন্ধ্যায় আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে মানিকছড়ি নামিয়ে দিয়ে আসার কথা ছিল। মানিকছড়ি যাওয়ার পথে মাটিরাঙ্গার অদূরে ১০ নম্বর এলাকায় আসলে প্রস্রাব করার কথা বলে সিএনজি থামায়। এরপর তারা শ্বাসরোধ করে ফারুককে হত্যা করে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাদের পরিচিত গ্যারেজ মেকানিক শাকিলের মাধ্যমে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার হামিদুল ইসলাম ও ফরিদ হোসেনের কাছে এক লাখ টাকায় তা বিক্রি করে।








