ফেনীতে গণপরিবহনে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক হলেও সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্ক রয়ে গেছে। প্রায় পাঁচ মাস পর ১ সেপ্টেম্বর থেকে সাধারণ নিয়মে গণপরিবহন চলাচল শুরু করে ফেনীতে। শুরুর প্রথম কয়েক দিনেই গণপরিবহনে আসনের বেশি যাত্রী পরিবহন করায় যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ লক্ষ্য করা গেছে।
জানা যায়, বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে গণপরিবহনে ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হয়। ১ সেপ্টেম্বর থেকে বর্ধিত ভাড়া কমানো হয়। এর ফলে যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরছে। কিন্তু স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা।
সরজমিন মহিপাল বাসস্ট্যান্ড’সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেথা যায়, বাস, মিনিবাস, টেম্পুতে আসনের চেয়ে বেশি যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। তবে, গণপরিবহনে অনেক যাত্রীকে মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস, ফেস শিল্ড, প্লাস্টিকের স্বচ্ছ চশমা, ফুলহাতা শার্ট, কেডস পরা অবস্থায় দেখা গেছে। একইসঙ্গে নিয়মিত বিরতিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা স্প্রে ব্যবহার করছেন যাত্রীরা।
মহিপাল বাসস্ট্যান্ডে মহি উদ্দ্নি নামে এক যাত্রী এই প্রতিনিধিকে বলেন, সরকারি নির্দেশনামতে, যত আসন তত যাত্রী নেবেন। কিন্তু লোকাল বাসগুলোতে আসনের বেশি যাত্রী দেখা যাচ্ছে। কেউ নিয়ম মানছে না। বাসগুলো যাত্রী তুলতে প্রতিযোগিতাও করছে।
চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে বাসে উঠা যাত্রী সালামত উল্যাহ বলেন, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি।
ফেনী পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. গোলাম নবী বলেন, জেলার যে কয়টি রোড আছে সেখানে আমাদের বাস-মিনিবাস চলছে। ফেনী থেকে নোয়াখালী, লক্ষীপুর ,কুমিল্লা, ঢাকা, চট্টগ্রাম’সহ অন্য রোডে চলাচলকারী বাস-মিনিবাস মালিকদের সভা করে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, চালক বা স্টাফদের খামখেয়ালিপনার কারণে প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মামলা দিলে বা জরিমানা করলে সমিতি তার দায় নেবে না।
তিনি বলেন, আমরা জানিয়ে দিয়েছি নির্দিষ্ট গন্তব্যে গাড়ি পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে জীবাণুনাশক মেশানো পানি স্প্রে করে দেওয়ার জন্য। প্রত্যেক চালক ও স্টাফ যেন মাস্ক পরেন। গত ছয় মাস আমরা গণপরিবহন ব্যবসা করিনি। আরও দুই মাস স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিট ক্যাপাসিটি অনুযায়ী গাড়ি চালালে অসুবিধা নেই। জীবিকার পাশাপাশি জীবনের কথাও ভাবতে হবে।







