কুমিল্লার বরুড়ায় সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের উঠান বৈঠকে হামলা ও গুলি বর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম মিঠু ও প্রতিপক্ষ আরেক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ওমর ফারুক ভূইয়ার লোকজন মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদেরকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের শরাফতি মধ্যম পাড়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সাবেক চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম মিঠু আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আগানগর ইউপি থেকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ, প্রতিপক্ষ আরেক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ওমর ফারুক ভূইয়ার লোকজন এ হামলা চালিয়েছেন।
মিঠু জানান, ‘আগানগর ইউনিয়নের শরাফতি গ্রামে স্থানীয় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এতে আমি অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করি। বৈঠক চলাকালে প্রতিপক্ষের লোকজন দূর থেকে ককটেল নিক্ষেপ ও গুলি ছুড়ে। এতে অন্তত ৫ জন কর্মী আহত হয়।’
আহতরা হচ্ছেন, শরাফতি গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে রবিউল (৩০), আবদুল জলিলের ছেলে রাব্বি (৩১), দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আলী হোসেন (২০), আক্কাস আলীর ছেলে অলিউল্লাহ (৪০) ও জয়নাল আবদীনের ছেলে ওমর ফারুক (৪০)। তাদেরকে প্রথমে বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।
বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সহিদুল ইসলাম ফরহাদ জানিয়েছেন, আহত হয়ে কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের শরীরে ছররা গুলির আঘাত দেখা গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।
সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বরুড়া থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, ‘শরাফতি গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনও মামলা হয়নি।’
তবে গুলি কিংবা ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি তার জানা নেই বলে দাবি করেন তিনি।









