সারাদেশের মতো কক্সবাজারেও করোনার টিকা প্রয়োগ হয় রবিবার। এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক।
টিকাদান কর্মসূচিতে কক্সবাজারে সর্বপ্রথম করোনার টিকা গ্রহণ করেন কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসাবে টিকা নেন-কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, তৃতীয় ব্যক্তি হিসাবে টিকা নেন সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা আহমেদ। এরপর একে একে সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবর রহমান, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. অনুপম বড়ুয়া, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের সুপার ডা. রফিক উস সালেহীন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের জেলা সভাপতি ডা. মাহবুবুর রহমান, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. আনোয়ারা, ডা. খায়রুন্নেছা মুন্নী, ডা. ইফফাত সানিয়াসহ প্রায় অর্ধশত নাগরিক টিকা গ্রহণ করেন।
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের সুপার ডা. রফিক উস সালেহীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নারী সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া প্রমুখ।
এর আগে কক্সবাজার জেলা ইপিআই স্টোর থেকে নির্ধারিত তাপমাত্রা বজায় রেখে করোনার ভ্যাকসিনগুলো বিভিন্ন উপজেলা ও রামু সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। জেলায় করোনার ভ্যাকসিন নিতে সরকার নির্ধারিত ক্যাটাগরিতে জেলায় প্রায় ৩৯ হাজার জনের তালিকা তৈরি করা হয়। এরমধ্যে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কক্সবাজার সদর উপজেলায় রেজিস্ট্রেশন করেন ১ হাজার ব্যক্তি। এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি দেশে করোনার টিকা বিতরণের অংশ হিসেবে কক্সবাজার জেলায় পৌঁছে ৮৪ হাজার ডোজ করোনা ভাইরাসের টিকা।









