বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় সেন্টমার্টিনের অদূর থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া ২২ জেলেকে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার নৌবাহিনী। ১৩ ঘণ্টা পর শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় কোস্টগার্ডের প্রচেষ্টায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ ঘাটে এসে পৌঁছেন চার ট্রলারসহ মাঝিমাল্লারা।
এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় সেন্টমার্টিনের পূর্বদিক থেকে দুই দফায় মাছ ধরার ট্রলারসহ ২২ মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে যায় তারা।
ট্রলারসহ জেলেরা ফেরত আসার বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী বলেন, মাঝিমাল্লাসহ ধরে নিয়ে যাওয়া ট্রলারগুলো ফিরেছে। সব জেলে সুস্থ আছে।
কোস্টগার্ডের প্রচেষ্টায় ট্রলারসহ জেলেদের মিয়ানমার নৌবাহিনী ফেরত দিয়েছে বলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আমাকে জানিয়েছেন।
স্থানীয় জেলেরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা নুরুল আমিন, মো. আজিম, মো. হোসেন এবং তার ছেলে মো. ইউনুছের মালিকাধীন চারটি মাছ ধরার ট্রলারে ২২ জন মাঝিমাল্লা সাগরে মাছ ধরতে যান। শনিবার সকালে দ্বীপের পূর্বদিকে মিয়ানমার নৌবাহিনীর সদস্যরা এসে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই ট্রলারসহ ২২ মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে যান।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, ১৩ ঘণ্টা পর চারটি ট্রলারসহ ২২ মাঝিমাল্লা ফেরত এসেছেন। মিয়ানমারের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেলেদের ফেরত এনেছে কোস্টগার্ড।
ট্রলার মালিক মো. আজিম বলেন, সাগরে মাছ ধরার ট্রলারসহ জেলেদের ধরা নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হয়। পরে কোস্টগার্ডের প্রচেষ্টায় চারটি ট্রলারসহ জেলেদের ফেরত দেয় মিয়ানমার নৌবাহিনী। তাদের ফিরে আসাতে পরিবারসহ সবার চিন্তা দূর হয়েছে।
সেন্টমার্টিন স্টেশন কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, মাঝিমাল্লাসহ ট্রলার ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার পর সেদেশের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। উভয় পক্ষের দীর্ঘক্ষণ আলোচনা চলে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের কার্যক্রম শেষে তাদের ফেরত আনা হয়।









