পেটে রাখা হাড়টি আকিবের মাথায় বসলো ৫ মাস পর

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
২৮ মার্চ ২০২২, ২০:৩৯আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২২, ২০:৩৯

প্রায় ছয় ঘণ্টার অস্ত্রোপচার শেষে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী মাহাদি জে আকিবের মাথার খুলির একটি হাড়। সোমবার (২৮ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) তার অস্ত্রোপচার হয়।

হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. নোমান খালেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সফল এ অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। গত ৩০ অক্টোবর আকিবের মাথায় প্রথম অস্ত্রোপচার হয়েছিল। সে দিন তার মাথার একটি হাড় খুলে পেটের চামড়ার নিচে চেম্বার তৈরি করে সেখানে রাখা হয়। দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের জন্য রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। প্রায় পাঁচ মাস পর প্রতিস্থাপন করা হয়েছে তার খুলির এই হাড়টি।

অস্ত্রোপচার শেষে ডা. নোমান খালেদ চৌধুরী বলেন, ‘সকাল ৯টায় আকিবের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার শুরু হয়। চলে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। আমরা সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করতে পেরেছি। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’

এদিকে, অপারেশন থিয়েটারের সামনে সকাল থেকে অপেক্ষায় ছিলেন আকিবের পিতা গোলাম ফারুক মজুমদারসহ স্বজন-বন্ধুরা। আকিব চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের (এমবিবিএস ৬২তম ব্যাচের) শিক্ষার্থী।

গত বছরের ৩০ অক্টোবর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চমেক ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আকিবকে প্রতিপক্ষের সমর্থক মনে করে নগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে ছাত্রলীগের এক পক্ষ তার ওপর হামলা করে। এতে মাথার ডান দিকে গুরুতর আঘাত পান। আহত অবস্থায় তাকে নেওয়া হয় আইসিইউতে। সেখানে প্রথম অস্ত্রোপচারের সময় তার মাথার খুলির একটি অংশ খুলে পেটের চামড়ার নিচে রাখা হয়।

সে সময় চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আকিবের মাথার সাদা ব্যান্ডেজে লিখে দেওয়া হয়েছিল, ‘হাড় নেই, চাপ দেবেন না’। সেখানে একটি বিপজ্জনক চিহ্নও এঁকে দেন চিকিৎসকরা। এর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। আজ সেই হাড়টিই প্রতিস্থাপন করা হলো।

/এফআর/
সম্পর্কিত
দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৬২ জন আহত
বহু কাজ এখনও বাকি, কীভাবে চালু হবে শিশু হাসপাতাল
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
সর্বশেষ খবর
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
ছোট ছেলে শ্বশুরবাড়ি, বড় ছেলের ঘরের মেঝে খুঁড়ে মায়ের লাশ উদ্ধার
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
‘শাহজালালে হাজিদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ সঠিক নয়’
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের