বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে দুর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকাসহ একই পরিবারের ২ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় সেই পরিবারের তিন জন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ চার জন আহত হন। শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মহাসড়কের দেবিদ্বারের পৌর এলাকার সাইলচর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, দেবিদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের নিজাম উদ্দিন ফকির বাড়ির বজলুর রহমানের স্ত্রী ও উপজেলার ধামতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হাজেরা বেগম (৫০) ও তার নাতি আবির (৫)।
আহতরা হলেন- হাজেরা বেগমের স্বামী বজলুর রহমান (৬৫), মেয়ে মনিরা আক্তার (১৪), নাতি আশিক (৭) ও অটোরিকশা চালক দেবিদ্বার পৌর এলাকার উত্তর ভিংলাবাড়ি গ্রামের আব্দুল আলীমের পুত্র শান্ত (২০)।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে একই পরিবারের পাঁচ জন সিএনজিযোগে উপজেলার বড়শালঘর গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবিদ্বার পৌর এলাকার সাইলচর এলাকায় এলে পেছন থেকে আসা দ্রুতগামী একটি ট্রাকের চাপায় সিএনজিটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে চালক ও পাঁচ যাত্রী গুরুতর আহত হন।
আহত ছয় জনকে উদ্ধার করে প্রথমে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর শিক্ষিকা হাজেরা বেগম ও তার নাতি আবির মারা যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় বিকালে বজলুর রহমানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মীরপুর হাইওয়ে পুলিশের ওসি মো. কামাল উদ্দিন জানান, পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি। দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেয়েও কোনও তথ্য নিতে পারেনি। দুর্ঘটনা কবলিত দুমড়েমুচড়ে যাওয়া সিএনজি ও ট্রাকটি হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে।
কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাফিস ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দাদি হাজেরা ও নাতি আবিরকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। এ ছাড়া বজলুরের অবস্থা ভালো ছিল না তাই তাকে ঢাকায় নিতে বলা হয়েছে। বাকিরা কুমিল্লা মেডিক্যালেই আছে। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা পাঠানো হবে।








