মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি, রাজাকারদের দোসররা আরেকটি পঁচাত্তরের স্বপ্ন দেখছে। আগামী নির্বাচনে ব্যালট যুদ্ধের মাধ্যমে তাদের স্বপ্নের কবর রচনা করতে হবে।’
মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের বৈষম্য মেনে নিতে পারেননি। এজন্য ছয় দফা উপস্থাপনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের রূপরেখা দেন। ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগ গঠন করে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।’
রাউজানের উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘একসময় সন্ত্রাসী এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল রাউজান। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ফজলে করিম চৌধুরীর মতো যোগ্য নেতার নেতৃত্বে অভূতপূর্ণ উন্নয়ন হয়েছে। এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, সব ইউপি চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতাকর্মীদের পরস্পরের সুসম্পর্ক ও ঐক্যবদ্ধ কাজ করে যাওয়ার এই দৃষ্টান্ত অনেক জেলা-উপজেলায় নেই। এখানের নেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন।’
সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ সিকদারের সভাপতিত্বে ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিক্সন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল ওহাব, রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম ও ভাইস চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ।
পরে মন্ত্রী রাউজান পৌরসভায় বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধা গণপাঠাগার এবং পৌরসভার ছাদ বাগানের উদ্বোধন করেন। এর আগে রাউজান উপজেলা ডাকবাংলোতে মুজিব-ইন্দিরা স্মৃতি বৃক্ষ রোপণ করেন তিনি।
এছাড়া উপজেলার পশ্চিম গুজরায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এ. কে ফজলুল হকের কবর জিয়ারত, তোরণ ও গণপাঠাগার সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, পাঠাগারের সামনে বৃক্ষরোপণ এবং নোয়াপাড়া মাস্টার দা সূর্য সেন পল্লী ও শেখ কামাল স্মৃতি কমপ্লেক্স ভবন পরিদর্শন ও পুস্পস্তবক অর্পণ করেন মন্ত্রী।









