দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ১৮টি ভোটকেন্দ্র দুর্গম এলাকায় হওয়ায় ভোটের সরঞ্জাম ও লোকবল হেলিকপ্টারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৪ জানুয়ারি) সকালে ১৮টি কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম ও লোকবল পাঠানো হয়।
ভোটের দিন ভোটাররা পাহাড় ডিঙিয়ে কোনো রকমে এসব ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারলেও ভোটের কাজে নিয়োজিত লোজনদের যেতে হয় এক-দুই দিন আগেই। কোনও কোনও কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য হেলিপ্যাড থেকে নেমে নির্বাচনের সব সরঞ্জাম কাঁধে নিয়েই হাঁটতে হয় দীর্ঘপথ। এসব কেন্দ্রের বেশিরভাগই মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে, ফলে ফলও পেতে দেরি হয়। এর মধ্যে বাঘাইছড়ি উপজেলায় ছয়টি, বরকলের দুটি, জুরাছড়ির সাতটি ও বিলাইছড়ির তিনটি কেন্দ্র। ১৮টি কেন্দ্রের ভোটার ২৩ হাজার ৬৩৮ জন। এবার রাঙামাটির ১০ উপজেলায় ২১৩ কেন্দ্রে মোট ভোটার চার লাখ ৭৯ হাজার ৩১৭ জন।
রাঙামাটিতে ভোটের মাঠে আছেন আওয়ামী লীগের দীপংকর তালুকদার, বাংলাদেশ সংস্কৃতি মুক্তিজোটের অমর কুমার দে ও তৃণমূল বিএনপির শাহ মো. মিজানুর রহমান।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মোশাররফ হোসন খান বলেন, ‘দুর্গম এলাকা হওয়ায় ১৮ কেন্দ্রের নির্বাচনি সরঞ্জাম ও লোকবল সকালে হেলিকপ্টারে পাঠানো হয়েছে।’
কেন্দ্রগুলোকে হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্র হিসেবে আমরা উল্লেখ করছি জানিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘হেলিসর্টি অর্থ এই ১৮টি কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম ও নির্বাচন কর্মীদের যেতে হবে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে। কারণ সবগুলো কেন্দ্র দুর্গম এলাকায়। প্রতি বছরের মতো এবারও হেলিকপ্টারের জন্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। তারা ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের জানানোর পর সরঞ্জাম এবং জনবল পাঠানো হয়েছে।’









