মানুষ সচেতন না হলে শহর পরিষ্কার থাকবে না জানিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, খাল-নালায় জমে থাকা মাটি-পলিথিন পরিষ্কার করতে পারলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমবে। নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে আমরা বছরব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়েছি। কিন্তু কিছু মানুষের অসচেতন আচরণ নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখার পেছনে বড় বাধা। এ জন্য আমরা সচেতনতা বাড়াতে জোর দিচ্ছি।
বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে অর্ধশতাধিক পরিচ্ছন্নকর্মীকে নিয়ে নগরীর প্রবর্তক মোড়ে রুপালি গিটার চত্বরের পাশের নালা পরিষ্কার করেন মেয়র। পরে সাংবাকিদের তিনি এ সব কথা বলেন।
নালায় ভাঙা কমোড, পুরোনো লেপ-তোশক এবং মেডিক্যাল বর্জ্যসহ বিভিন্ন অপচনশীল বর্জ্য দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে মেয়র বলেন, ‘মানুষ সচেতন না হলে আমরা কখনোই এ শহর পরিষ্কার রাখতে পারবো না। জনগণ সচেতন হলে ভৌগোলিক কারণে বর্ষায় পানি উঠলেও দ্রুত নেমে যাবে। এরপরও কেউ অযথা নালায় ময়লা ফেললে, যার প্রতিষ্ঠান ও বাসার সামনে ময়লা পাওয়া যাবে তাকে আইনের আওতায় আো হবে, জরিমানা করা হবে।’
জলাবদ্ধতা কমাতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) সঙ্গে সমন্বয় আছে জানিয়ে মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘নগরীর ৩৬টি খালে জলাবদ্ধতা নিরসনে উন্নয়ন কাজ চলছে সিডিএর অধীনে। এতগুলো খালের মাটি উত্তোলন, রিটেইনিং ওয়াল, গাইড ওয়াল, স্লাব বসানো সময়সাপেক্ষ কাজ। সিডিএকে জানিয়েছি, বর্ষার আগে অন্তত চলমান প্রকল্পের অধীন নালা-খালগুলোর জমে থাকা মাটি যাতে সরিয়ে নেওয়া হয়। খাল-নালা পরিষ্কার থাকলে জলাবদ্ধতা কমবে। নগরীর অভ্যন্তরীণ নালার দায়িত্ব আমাদের। আমরা এগুলো পরিষ্কার করছি, মাটি উত্তোলন করছি। এটা চলমান থাকবে।’
পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমে আরও অংশ নেন– চসিক কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনু, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার লতিফুল হক কাজমী, নির্বাহী প্রকৌশলী মীর্জা ফজলুল কাদের, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহিসহ পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীরা। এছাড়া জনগণের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।








