জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির বিশেষ দিনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পাঁচ শীর্ষস্থানীয় নেতা হঠাৎ কক্সবাজারে এসেছেন। এখানে হোটেল সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা-তে তারা সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
এখানে আসা এনসিপির নেতারা হলেন- এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। সঙ্গে তাসনিম জারার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহও রয়েছেন। তিনি এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক। তারা হোটেল সি পার্লে অবস্থান করছেন। তবে পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের ঘুরতে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার সাইফুদ্দীন শাহীন।
তবে পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি ‘অপপ্রচার’ দাবি করে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা কক্সবাজারে ঘুরতে এসেছি।’
একই কথা বলেছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ‘বৈঠকের বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। আমরা এখানে ঘুরতে এসেছিলাম। হোটেলে চেকইন করে এরকম একটা নিউজ দেখতে পেলাম। এটা সম্পূর্ণ গুজব। এরকম কিছুই হয়নি। আমরা জাস্ট ঘুরতে এলাম।’
বিমানবন্দর ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটযোগে এনসিপির নেতারা ঢাকা থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নামেন এবং ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে হোটেল সি পার্লে আসেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। হোটেলের মাইক্রোবাসে তাদের বিমানবন্দর থেকে আনা হয়।
হোটেল সি পার্লের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, আমাদের হোটেলে আজকে পিটার হাস তো নয়-ই, কোনও বিদেশি অতিথি নেই। কাজেই বৈঠকের প্রশ্নই ওঠে না।
পিটার হাস বর্তমানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রফতানিতে যুক্ত মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির কৌশলগত উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত। এর আগে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৭তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রদূত ছিলেন।









