জন্ম ও বেড়ে ওঠা একসঙ্গে। এবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় মেধার স্বাক্ষর রেখেছে নীলফামারীর যমজ দুই বোন। তারা হলো নিত্যপ্রিয় অথৈ রায় ও নিত্যশ্রী তাথৈ রায়। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়ে শিক্ষাঙ্গনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে দুজনে।
এবার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে সুনাম কুড়িয়েছে তারা। এমন কৃতিত্ব অর্জনে গর্বিত বাবা-মা। খুশি হয়েছেন শিক্ষকরা।
নিত্যপ্রিয় অথৈ রায় ও নিত্যশ্রী তাথৈ রায় নীলফামারী পৌর শহরের কবরস্থান মোড়ের কলেজ পাড়া মহল্লার ব্যবসায়ী প্রনবানন্দ রায় ও শহরের হাড়োয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক চন্দনা রানী রায়ের মেয়ে।
জেলা শহরের শাহীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে তারা।
মা চন্দনা রানী ও বাবা প্রনবানন্দ রায় বলেন, ছোটবেলা থেকেই ওরা পড়াশোনার প্রতি খুবই মনোযোগী এবং মেধাবী। তাদের এই সাফল্যের পেছনে শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং পরিবারের উৎসাহ বড় ভূমিকা রয়েছে। আমরা তাদের জন্য গর্বিত। আমরা চাই, তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করুক।
শাহীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের বিদ্যালয় থেকে ২৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২ জন ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পায়। বাকি চার জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। তবে ২২ জনের মধ্যে নিত্যপ্রিয় অথৈ রায় ও নিত্যশ্রী তাথৈ রায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পায়। যমজ দুই বোনের এই সাফল্যের জন্য আমরা গর্বিত এবং খুশি।
ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুন নেছা বলেন, ভবিষ্যতেও অথৈ ও তাথৈ তাদের এই ধারাবাহিক সাফল্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এলাকার মুখ উজ্জ্বল করবে। এটি শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো বিদ্যালয় ও এলাকার জন্য গর্বের। দেশ ও সমাজের জন্য সুনাম বয়ে নিয়ে আসবে তারা।









