নির্বাচনে অনুকূল পরিবেশ নেই দাবি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি উল্লেখ করেন, আমি জিয়াউল হক মৃধা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০২৬ এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলাম। আপনারা অবগত আছেন, গত ৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী সময়ে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আমাকে তিনটি মামলায় আসামি করে, নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়। যদিও সেসব মামলার ঘটনার সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা ছিল না। এমনকি মামলার উল্লেখিত সময়ে আমি সংসদ সদস্য পদেও অধিষ্ঠিত ছিলাম না।
এতে বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার দল জাতীয় পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে, আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আমার পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করা সম্ভব হয়নি। আমার পক্ষে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হলে আমাকে ও আমার নেতাকর্মীদেরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিভিন্ন মহল থেকে ভয়ভীতি ও গ্রেফতারের হুমকি প্রদর্শন শুরু করে। যা অদ্যাবধি চলমান। যার ফলে আমি অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মতো সম্পূর্ণ স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারছি না। এমন প্রতিকূল পরিবেশে আমি আমার দলের সব নেতাকর্মীর সিদ্ধান্তক্রমে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর মতো কঠিন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি।
তিনি বলেন, আমার আবেগপ্রবণ ভোটার, শুভাকাঙ্ক্ষী, আত্মীয়-স্বজন সাংবাদিক ও নেতাকর্মীদের আমার পাশে থাকার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
এদিকে নির্বাচন থেকে তার সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে জানার জন্যে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি।
তবে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নাসির মিয়া বলেন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। দলের সিদ্ধান্তে তিনি সরে দাঁড়াননি। আমরা এতটুকু বলতে পারি। এর বেশি তথ্য আমাদের কাছে নেই।








