ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিমের সাবেক সভাপতি জিসান আহমেদকে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় একদিন পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১০টার দিকে লাকসাম জংশন এলাকায় তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করেন। বর্তমানে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিসান জানিয়েছেন, দাউদকান্দি মডেল মসজিদের সামনে থেকে তাকে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়েছিল।
জিসান বলেন, ‘আমি মডেল মসজিদের সামনের সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় একটি গাড়ি আমার সামনে এসে থামে। এ সময় কয়েকজন আমাকে টান দিয়ে গাড়ির ভেতরে ঢুকিয়ে নেয়। এরপর থেকে আমি আর কিছু বলতে পারছি না।’
গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) রাতে দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে জিসানের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাত ৮টার পর তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না মেলায় শুক্রবার (১২ জুন) সকালে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর পিপি অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন জানান, শুক্রবার রাতে লাকসাম জংশন এলাকা থেকে অচেতন অবস্থায় জিসানকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাকী বলেন, জিসানের নিখোঁজ হওয়া এবং উদ্ধারের পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা চিকিৎসার জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠিয়েছি বাকিটা দাউদকান্দি থানা পুলিশ দেখবে।
দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল বারী বলেন, জিসান হাসপাতলে চিকিৎসাধীন। কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ওই গাড়ি শনাক্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।









