চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় একটি লবণ কারখানায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সৃষ্ট আগুনে দগ্ধ ১০ জন শ্রমিকের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে চমেক হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন এ তথ্য বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় ওয়েল্ডিং মেশিনে কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধ শ্রমিকদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক পাঁচ জনকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।
দগ্ধ শ্রমিকেরা হলেন—বোয়ালখালীর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দিদারুল আলম (৩২), রাঙ্গুনিয়ার পোমরা এলাকার উজ্জ্বল দাশ (৫৩), চট্টগ্রাম নগরের মাদারবাড়ি এলাকার মোহাম্মদ লিটন (২৮), লোহাগাড়ার চুনতীর সিরাজুল ইসলাম (৩৪), রাউজানের মোহাম্মদপুর এলাকার জাহিদুল আলম (৪২), বোয়ালখালীর পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার জাহিদ হোসেন (৩৮), বোয়ালখালীর চর খিজিরপুর এলাকার নূর নবী (২৫), পটিয়ার হোলাইন এলাকার মোহাম্মদ আলম (৪৫), পটিয়ার শান্তিহাট এলাকার মাহামুদুল হক (৪৫) এবং চন্দনাইশের কাঞ্চননগর এলাকার সেলিম উদ্দিন (৩০)।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘শ্রমিকরা কারখানায় কাজ করার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে ১০ জন দগ্ধ হন। তাদের দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল। আহতদের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা গুরুতর বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।’
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, ‘দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে পাঁচ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই পাঁচ জনকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। তাদের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। বাকিরা হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন।’
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘লবণ কারখানায় ওয়েল্ডিং মেশিনে কাজ করার সময় আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে ১০ জন শ্রমিক দগ্ধ হন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’









