শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয়ের লক্ষ্যে কাজ করবে সরকার। একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, বিতর্কিত বিষয় পাঠ্যক্রম থেকে অপসারণ এবং শিক্ষার উপকরণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারের আমলে যেভাবে দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ছিল বাংলাদেশের শিক্ষা খাত।’
তিনি বলেন, ‘কীভাবে সেই সময় নকলকে উৎসাহিত করা হয়েছিল, কীভাবে অটো প্রমোশন দিয়ে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও আমরা এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখিনি।’
শিক্ষা খাত পুনর্গঠনের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিকসহ সব পর্যায়ের শিক্ষকদের ভালো প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা, বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয় ধীরে ধীরে সিলেবাস থেকে সরিয়ে আনা এবং শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণ নিশ্চিত করাকে আমরা প্রাধান্য দিতে চাই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এবারের বাজেটে বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রেখেছে। পৃথিবীর যে দেশগুলো উন্নতি করেছে, তারা সবাই শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভালো শিক্ষার নিশ্চয়তা দিতে এবং যারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলবেন, সেই শিক্ষকদের উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য সরকার সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’
শিক্ষা খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে ইনশাআল্লাহ আমরা পর্যায়ক্রমে শিক্ষা খাতে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ করবো।’









