কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ১২ ইউপিতে ভোট গ্রহণ চলছে। ১১১টি ভোট কেন্দ্রের সবকটাতেই শনিবার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বিকাল ৪টায় ভোট শেষ হবে।
১২টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪১ জন। এর মধ্যে ৭৮ হাজার ৯৯৫ জন পুরুষ ও ৭৪ হাজার ৮৪৬ জন নারী ভোটার।
এই ইউনিয়নগুলোতে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫০ প্রার্থী। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনীত ১২ জন, বিএনপি মনোনীত ১১ জন, জাতীয় পাটির(এরশাদ) তিনজন, জাতীয় পার্টির (জেপি) একজন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৩ জন। এছাড়া এই ১২টি ইউনিয়নে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৩৪ জন ও সাধারণ ওয়ার্ডে সাধারণ মেম্বার পদে ৪২৪ জন প্রার্থী রয়েছেন।
১২ ইউনিয়নে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১১১টি।
চিরিঙ্গা, বরইতলী, কৈয়ারবিল, ফাসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, বমুবিলছড়ি, সুরাজপুর-মানিকপুর, কাকারা, লক্ষ্যারচর, সাহারবিল, হারবাং ও খুটাখালী ইউনিয়ন পরিষদে ৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। ভোট গ্রহণের দায়িত্ব পালন করছেন ১১০ জন প্রিজাডিং কর্মকর্তা, ৪২৩ জন সহকারী প্রিজাডিং কর্মকর্তা ও ৮৪৬ জন পোলিং কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে গলাকেটে খুন
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আট জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে ১১১টি ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ, বিজিবি ও র্যাব সদস্যরা। এছাড়া মাঠে রয়েছে আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় তিন হাজার সদস্য।
প্রতি ভোটকেন্দ্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তার অধীনে পাঁচ পুলিশ সদস্য ও ১৭ জন আনসার সদস্য রয়েছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছেন চারজন সশস্ত্র আনসার। এছাড়া মাঠ টহলরত আছে ১৯০ সদস্যের ৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য ও ৪৫ জনের চারটি র্যাব টিম।
ভোটকেন্দ্র এলাকায় পুলিশের ১২টি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও ৩৬টি মোবাইল টিম রয়েছে। একজন পুলিশ পরিদর্শকের নেতৃত্বে প্রতিটি স্টাইকিং ফোর্সে ৫ জন করে সদস্য নিয়োজিত আছেন।
প্রতিটি মোবাইল টিমে একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) এর নেতৃত্বে ৬ জন করে পুলিশ সদস্য এবং নির্বাচন সমন্বয়ে ৬ জন সহকারী পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে ছয়টি বিশেষ টিম তৎপর আছে। প্রত্যেক টিমে একজন সহকারী পুলিশ সুপারের সঙ্গে আছেন পুলিশের পাঁচজন করে সদস্য।
আরও পড়ুন- নিয়ামতপুরে ৮টি ইউনিয়নে ৯০টি কেন্দ্রের ৪০টি ঝুঁকিপূর্ণ
নির্বাচন অফিস সূত্র জানিয়েছে, ১২ ইউপির ভোটারের মধ্যে মধ্যে ডুলাহাজারা ইউনিয়নে ১২ হাজার ৩০২ জন পুরুষ ও ১১ হাজার ৩৫৪ জন নারী ভোটার। কাকারা ইউনিয়নে ৬ হাজার ৮৮১ জন পুরুষ ও ৬ হাজার ৪০৫ জন নারী ভোটার। বরইতলী ৯ হাজার ৬৫১ জন পুরুষ ও ৯ হাজার ৮৩৬ জন নারী ভোটার। কৈয়ারবিল ইউনিয়নে ৬ হাজার ২৬২ জন পুরুষ ও ৫ হাজার ৯২১ জন নারী ভোটার। হারবাং ইউনিয়নে ৯ হাজার ৩৬১ জন পুরুষ ও ৯ হাজার ১৮৭ জন নারী ভোটার। খুটাখালী ইউনিয়নে ৯ হাজার ৫৪৫ জন পুরুষ ও ৮ হাজার ৮৬৯ জন নারী ভোটার। সাহারবিল ইউনিয়নে ৩ হাজার ৯৪৮ জন পুরুষ ও ৩ হাজার ৩৯০ জন নারী ভোটার। চিরিঙ্গা ইউনিয়নে ৪ হাজার ৭৪৬ জন পুরুষ ও ৪ হাজার ২৬৯ জন নারী ভোটার। ফাসিয়াখালী ইউনিয়নে ৭ হাজার ৪৫৩ জন পুরুষ ও ৬ হাজার ৯০৯ জন নারী ভোটার। সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নে ৩ হাজার ৮৫২ জন পুরুষ ও ৩ হাজার ৭২১ জন নারী ভোটার। বমুবিলছড়ি ইউনিয়নে ২ হাজার ২৪৫ জন পুরুষ ও ২ হাজার ৪৪৩ জন নারী ভোটার এবং লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে ২ হাজার ৭৪৯ জন পুরুষ ও ২ হাজার ৫৪২ জন নারী ভোটার।
/এফএস/এএইচ/








