ধামরাইয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর জনসভায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ধামরাইয়ে আমতা ইউনিয়নের জেঠাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আমতা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আরিফ হোসেন এক আলোচনা সভার আয়োজন করেন। সভায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহম্মেদ বিদ্রোহী প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করলে আরিফুর রহমান ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় একই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল হোসেনের সমর্থনে আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল নিয়ে নৌকার স্লোগান দিয়ে স্কুলমাঠে প্রবেশ করলে এ সংঘর্ষ ঘটে।
প্রায় আধঘণ্টার সংঘর্ষে দুই গ্রুপের প্রায় ২০ জন আহত হয়। পরে আওয়ামী লীগ নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আলোচনা সভা শেষে সিনিয়র নেতারা চলে যাওয়ার পর আবারও ২য় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আরও ১০ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী আরিফ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, দলীয় মনোনয় না পাওয়ায় তিনি নির্বাচন থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। আলোচনা সভা চলাকালে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মীরা তার কর্মীরদের ওপর হামলা করে।
আরও পড়ুন: পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে
/এসএনএইচ/এইচকে/আপ-এআর/








