ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ও ফিরতি যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুধুমাত্র ঈদের দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাকি সময় তাদের রাস্তায় থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ঈদে মানুষের দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনা কম হয়েছে। যানজট হয়নি, হয়েছে জনজট।
তিনি বলেন, জনজট, বৃষ্টি এবং রাস্তায় ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান চলাচলের কারণে যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ হয়েছে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রী আর নেই। এখন চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরে আসা মানুষদের নিয়ে। তারা ঈদের ছুটি কাটিয়ে কিভাবে স্বাচ্ছন্দে কর্মস্থলে ফিরতে পারে সেই ব্যাপারে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। এজন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাত্র ছয় ঘণ্টা ছুটি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা মোড় এলাকায় ঈদে যানজট পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।
এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, গাজীপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ডি.এ.কে.এম. নাহীন রেজাসহ সড়ক ও জনপথের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ঈদের আগে গার্মেন্ট কারখানাগুলো একসঙ্গে ছুটি হয়। যার ফলে সব শ্রমিকরা এক সঙ্গে বাড়ি ফিরতে যাওয়ায় মঙ্গলবার চন্দ্রা, বাইপাইল ও মির্জাপুর পর্যন্ত রাস্তায় কয়েক ঘণ্টা জনজট সৃষ্টি হয়। ঈদের তিনদিন আগ থেকে রাস্তায় কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা অর্ধেক মানা হয়েছে। এছাড়া টানা বৃষ্টির কারণে রাস্তায় যানবাহনের গতি কম থাকায় কিছুটা সমস্যা হয়েছে। গার্মেন্ট কারখানাগুলো পরপর তিনদিন ছুটি দেওয়ার আশ্বাস দিলেও মালিকদের পক্ষ থেকে তা মানা হয়নি। ফলে মানুষের কিছুটা দুর্ভোগ হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে যানজট পরিস্থিতি কিভাবে আরও ভালো করা যায় সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ঈদের পর রাস্তার পাশ থেকে সব ধরনের বিলবোর্ড উচ্ছেদ করা হবে। বৃষ্টির কারণে যেসব রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো দ্রুত মেরামত করাই এখন আমাদের কাজ।
আরও পড়ুন:
ভিডিওতে বার্তা প্রেরকদের দুজনের পরিচয় নিশ্চিত
গুলশান হামলায় গর্ভের সন্তানও রেহাই পায়নি!
/বিটি/








