দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ঢল, যানবাহনের দীর্ঘ লাইন

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১০ জুলাই ২০১৬, ২০:৫২ আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৬, ২০:৫৫

ঈদের ছুটি শেষে আবারও কর্মমূখী মানুষ জীবিকার তাগিদে ছুটছেন রাজধানী ঢাকায়। এর ফলে রবিবার সকাল থেকেই ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে পড়েছে বাড়তি চাপ। অতিরিক্ত  যাত্রী পারাপারে দৌলতদিয়া ঘাটে ছোট বড় যানবাহনের দীর্ঘ লাইন জমেছে।  ফেরিতে সিরিয়াল পেতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছে সাধারণ যাত্রীরা। দৌলতদিয়া ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ঢল, যানবাহনের দীর্ঘ লাইন

এদিকে  অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপ সামলাতে লঞ্চঘাটে কাজ করছে পুলিশ, আনসার, ব্যাটালিয়ন ও রোবার স্কাউট দল।

লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী হিসেবে কাউকে না উঠতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধ আরোপ করলেও যাত্রীরা সময় বাঁচাতে কর্মের টানে অতিরিক্ত জেনেও লঞ্চে উঠছেন।

এদিকে নদী পারাপারে পর্যাপ্ত লঞ্চ ও ফেরির পাশাপাশি ঘাট এলাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য এবারই প্রথম প্রশাসনের উদ্যেগে স্থাপন করা হয়েছে ৬টি সিসি ক্যামেরা যা ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে দেখছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে ৫০ ফিট উচ্চতার অস্থায়ী ওয়াচ টাওয়ার। সেখান থেকে ঘাটের চারপাশে ছিনতাই, দালাল চক্র, যেকোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঈদে যাত্রীদের পারাপার নিশ্চিত করতে এবার ছোট-বড় ১৯টি ফেরি চলছে। যার মধ্যে বড় রো রো ফেরি ১০টি, কে-টাইপ ফেরি ৩টি ও ইউটিলিটি ফেরি ৬টি।

বিআইডব্লিউটিএ পোর্ট অফিসার সেখ মোহাম্মদ সেলিম রেজা বলেন, ঈদে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে ২৫ থেকে ৩০টি লঞ্চ চলাচল করছে। এবার লঞ্চের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো। কোনও লঞ্চেই অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া হচ্ছে না। অতিরিক্ত কোনও ভাড়াও আদায় করা হচ্ছে না।

রাজবাড়ী জেলা ট্রাফিক বিভাগের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মৃদুল রঞ্জণ দাস জানান, যাত্রীদের যাত্রা সুনিশ্চিত করতে পুলিশ সুপার জিহাদুল কবিরের (পিপিএম)  নির্দেশে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ প্রশাসন। ঘাট এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ৬টি স্থানে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। আর যানজট ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ট্রাফিক বিভাগ তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: নড়াইলে একজনকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ৫ 

/এআর/টিএন/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরির পর সোবহানা, ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে ব্যাট করেছি’
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সেঞ্চুরির পর সোবহানা, ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে ব্যাট করেছি’
ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীকে উদ্দেশ করে পলকের মন্তব্য, ‘ভয় পাইছে’
ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীকে উদ্দেশ করে পলকের মন্তব্য, ‘ভয় পাইছে’
গুলশান সোসাইটি অফিসে চাঁদা দাবি, গ্রেফতার ৩
গুলশান সোসাইটি অফিসে চাঁদা দাবি, গ্রেফতার ৩
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বসেছে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বসেছে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক
সর্বাধিক পঠিত
ম্যাকবুক উপহার দি‌য়ে জার্মান পর্যট‌কের দুঃখ ঘোচা‌লেন একজন
ম্যাকবুক উপহার দি‌য়ে জার্মান পর্যট‌কের দুঃখ ঘোচা‌লেন একজন
বাস নিয়ন্ত্রণে এবার রাস্তায় মালিকরা
বাস নিয়ন্ত্রণে এবার রাস্তায় মালিকরা
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, কার ডাকে কক্সবাজার গেলো কিশোরী?
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, কার ডাকে কক্সবাজার গেলো কিশোরী?
মৌখিক পরীক্ষা না দিয়েও চূড়ান্ত তালিকায় বিএনপি নেতার স্ত্রীর নাম
মৌখিক পরীক্ষা না দিয়েও চূড়ান্ত তালিকায় বিএনপি নেতার স্ত্রীর নাম
কারিগরি প্রশিক্ষণ থেকে সিসিলিতে চাকরির অফার পেলেন আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থী
কারিগরি প্রশিক্ষণ থেকে সিসিলিতে চাকরির অফার পেলেন আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থী