নারায়ণগঞ্জে ৫ খুনের মামলায় বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণ, পরের তারিখ ৩১ জুলাই

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
১২ জুলাই ২০১৬, ১৮:৩৬আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৬, ১৮:৪৪

নারায়ণগঞ্জের একই পরিবারের দুই শিশুসহ ৫ জনকে নৃশংসভাবে খুনের মামলায় বাদী শফিকুল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে মঙ্গলবার দুপুরে ওই সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়। এসময় আদালতে অভিযুক্ত আসামি ও নিহত তাসলিমার ভাগ্নে মাহফুজ উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম নিহত তাসলিমার স্বামী।

নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, মঙ্গলবার মামলার বাদী শফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। পরে শুনানি শেষে আদালত ৩১ জুলাই পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য্য করেন। এসময় আসামীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে বাদী শফিকুল ইসলামকে জেরা করেন জেলা লিগ্যাল এইড এর আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুলতানুজ্জামান।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ জানুয়ারি রাতে শহরের বাবুরাইল এলাকা থেকে তাসলিমা (৩৫), তার ছেলে শান্ত (১০), মেয়ে সুমাইয়া (৫), তাসলিমার ছোটভাই মোরশেদুল (২২) ও তার জা লামিয়ার (২৫)  লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরদিন ১৭ জানুয়ারি সকালে নিহত তাসলিমার স্বামী শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে তার ভাগ্নে মাহফুজ, ঢাকার কলাবাগানের নাজমা ও শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে তাদেরকে সন্দেহ করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওইদিন রাতেই মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরদিন গ্রেফতার করা হয় শফিকুল ইসলামের ভাগ্নে মাহফুজ ও নাজমাকে। পরে ২১ জানুয়ারি আদালতে মাহফুজ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালতে মাহফুজ স্বীকারোক্তি ছিল অনেকটা গা শিউরে ওঠার মতো। মামীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে ব্যর্থ হয়ে ক্ষোভ থেকেই একে একে ৫জনকে হত্যা করে সে। মাত্র ৪ ঘণ্টার ওই কিলিং মিশনে প্রথমে তাসলিমা ও সবশেষ হত্যার শিকার হয় স্কুল ছাত্র মো. শান্ত। এর মধ্যে তাসলিমা, লামিয়া ও মোর্শেদুল মোশাররফকে মাথায় শিলপাটার শিল দিয়ে আঘাত করে এবং শান্তকে দেয়ালে আঘাত করে হত্যা করে। আঘাতের পর শ্বাসরোধ করে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করে বলে জবানবন্দিতে জানায় সে। আর শিশু সুমাইয়া মারা যায় শিলের আঘাতে।

 /টিএন/

আরও পড়ুন:

ফেসবুকে এখনও নিয়ন্ত্রণহীন সব ‘জিহাদি পেজ’

সংবাদমাধ্যম আমার বক্তব্য বিকৃতভাবে ব্যবহার করেছে: জাকির নায়েক

নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন, স্বামীসহ গ্রেফতার

প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
হলি আর্টিজান থেকে উদ্ধার হওয়া সবাই নজরদারিতে

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম