রাজবাড়ী জেলার দৌলতদিয়া ঘাট পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদ সীমার ৯৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে প্রবল স্রোতে ২ ও ৪নং ফেরিঘাট ভেঙে তলিয়ে গেছে। এছাড়া ৩নং ঘাটটিও অচল হয়ে পড়েছে। এতে ১নং ঘাটে দেখা দিয়েছে তীব্র চাপ।
শনিবার পদ্মার পানিতে তীব্র স্রোতের কারণে বড় আকারের ফেরিও চলতে পারেছে না। বর্তমানে ১৮টি ফেরির মধ্যে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ধীর গতিতে চলছে মাত্র ৯টি ফেরি। ঘাটের অচলাবস্থায় দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৩শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও দেড়শতাধিক যাত্রীবাহী বাস। অপেক্ষায় রয়েছে শত শত ছোট-বড় যানবাহনও।
এদিকে, দক্ষিণাঞ্চলের লাখো যাত্রীদের দৌলতদিয়া ঘাটের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভোগান্তি এড়াতে যমুনা ও মাওয়া সেতু দিয়ে পারাপারের পরামর্শ দিয়েছে রাজবাড়ী পুলিশ প্রশাসন। রাজবাড়ী ট্রাফিক বিভাগের ট্রাফিক অফিসার (টিআই-১) মো. ফারুকুর রহমান ফারুক জানান, রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে এখন পদ্মার প্রবল স্রোতে ঘাট ভেঙে গেছে। তাই ঘাটপ্রান্তে গাড়ির সিরিয়াল দীর্ঘ হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে নিয়মানুসারেই সিরিয়ালের ভিত্তিতে ফেরিতে পারাপার হচ্ছে যানবাহন।
বিআইডব্লিউটিএ আরিচা অঞ্চলের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, পল্টুনের সমস্যার কারণে ২নং ফেরিঘাট অচল হয়ে পড়েছে। গত ২৭ জুলাই রাতে দৌলতদিয়া ৪নং ফেরিঘাট সংলগ্ন সড়ক ভেঙে যাওয়ায় ৪নং ফেরিঘাট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। ২নং ফেরিঘাটেও পাইলিং ও জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পানির স্রোতে ৩ নং ফেরিঘাটও সাময়িক বন্ধ রয়েছে।
দৌলতদিয়া ঘাটে ৪দিন ধরে সিরিয়ালে আটকে থাকা ট্রাকচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৪দিন ধরে ঘাটে গাড়ি নিয়ে আটকা পরে আছি। খোরাকির সব টাকা-পয়সা শেষ হয়ে গেছে। তবু সিরিয়াল ফুরাচ্ছে না।
/এমও/
আপ: এইচকে








