বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্তুকে দলের জন্য বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার বিএনপির জেলা শাখা এবং অঙ্গ সংগঠনের এক যৌথ মতবিনিময় সভায় তাকে বহিঃষ্কার করা হয়। সেই সঙ্গে তাকে অবিলম্বে উপদেষ্টা কাউন্সিল ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারণের দাবি করা হয়।
জেলা বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘ দিন ধরে নিষ্ক্রীয় থাকা জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মইনুল ইসলাম খান শান্তকে চেয়াপার্সনের উপদেষ্টা পদে মনোনীত করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সত্যেনকান্ত পণ্ডিত ভজন স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্তু’র সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বললে, তিনি কোনও মন্তব্য না করে পরে কথা বলবেন বলে জানান।
অপর দিকে জেলা বিএনপি সভাপতি ও নবনিযুক্ত উপদেষ্টা আফরোজা খান রিতা’র মন্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এসএ জিন্নাহ কবীর এপ্রসঙ্গে বলেন, বিগত তিন বছরের বেশি সময় হলো জেলা বিএনপির কমিটি গঠন হয়েছে অথচ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আন্দোলন সংগ্রামসহ জেলার রাজনীতিতে পুরো অনুপস্থিত। দলের সাধারণ সম্পাদকের নিষ্কৃয়তার কারণে দলের সাংগঠনিক ভীত দুর্বল হয়ে পরেছে।
তিনি আরও বলেন, গত তিন বছরে সাধারণ সম্পাদককে মানিকগঞ্জের দলীয় কোনও কর্মকাণ্ডে মাত্র ২/৩দিন পাওয়া গেছে। অথচ তিনি একটি বড় পদ নিয়ে ঘরে বসে আছেন।
বুধবার বিকালে বিএনপি’র ওই সভায় বক্তারা বলেন, মঈনুল ইসলাম খান শান্তকে ২০১৩ সালে জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক করা হলেও ওই তিন বছরে দলীয় কর্মকাণ্ডে তার কোনও সম্পৃক্ততা নেই।
সভায় নেতারা নানা কারণে বিতর্কীত মঈনুল ইসলাম খান শান্তের ষড়যন্ত্র থেকে জেলা বিএনপিকে রক্ষার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তাকে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অপসারণের জোড় দাবিসহ তাকে মানিকগঞ্জ থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানান।
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এ জিন্নাহ কবীরের সভাপতিত্বে ওই জরুরি সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল বাতেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক তোজা প্রমুখ।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন : কৃষি জমি রক্ষায় সরকার কাজ করছে: ভূমিমন্ত্রী







