নারায়ণগঞ্জে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এ দুটি মহাসড়কে যান চলাচল খুব ধীরগতিতে চলছে।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ওসি শেখ শরিফুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সোনারগাঁয়ের মেঘনা সেতু এলাকায় বুধবার রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ৬টি গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে। একটি সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটেছে। এতে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে দেশের ৩৮টি রুটে যান চলাচল করে। এ মহাসড়কের একটি পয়েন্ট হলো কাঁচপুর সেতুর পূর্ব পাড়। দুটি মহাসড়ক এ পাড় দিয়ে বিভক্ত হয়েছে। ফলে রাজধানী ঢাকা থেকে সেতুর পূর্ব ঢাল পর্যন্ত যানবাহনের চাপ থাকে সবচেয়ে বেশী। সেতুর কয়েক কিলোমিটার পূর্বে নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল এলাকা পর্যন্ত মহাসড়ক ৮ লেনের। ফলে রাজধানী থেকে আসা যানগুলো একসঙ্গে আসার পর শিমরাইলে মোড়ে যানজটের শিকার হয়। কারণ শিমরাইল থেকে কাঁচপুর সেতু পর্যন্ত সড়কটি চার লেনের। এর মধ্যে আবার শিমরাইলে বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার ও যাত্রী উঠানামা হয়।
আবার কাঁচপুর সেতুর উত্তর দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। সেখানে ভুলতায় গাউছিয়া মার্কেটের সামনে চলছে ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ। ফলে ওই স্থানে সড়ক সরু হয়ে গেছে। তাছাড়া যাত্রাবাড়ি থেকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপসী পর্যন্ত সড়কের গাড়িও মহাসড়কে গিয়ে জড়ো হয়। কিন্তু ফ্লাইওভারের কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানজট রয়েছে।
অন্যদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কয়েকটি বাস স্ট্যান্ড রয়েছে। এর মধ্যে মদনপুর এলাকায় মদনপুর-গাজীপুর এশিয়ান হাইওয়ে রয়েছে। এ কারণে মদনপুরের ওই স্পটে সবসময় যানজট থাকে। যার প্রভাব পড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে। এ মহাসড়কের কাঁচপুর, দড়িকান্দি, মোগরাপাড়া, মেঘনা ও চিপরদী এলাকাতেও গণপরিবহন থামিয়ে যাত্রী উঠানামানো হয়।
শিমরাইল ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) মোল্লা তাসলিম হোসেন জানান, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত ৩টি গাড়ি কাঁচপুর সেতুর উপর উঠতে গিয়ে বিকল হয়ে পড়ে। এতে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও বলেন, সব সময় কাঁচপুর সেতুর পাশে একটি রেকার রাখা হয়েছে, কোন যানবাহন বিকল হলে সঙ্গে সঙ্গে রেকার দিয়ে সরানো হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি, কোন যাত্রী যাতে যানজটে ভোগান্তি না পোহাতে হয়।
/এমডিপি/
আরও পড়ুন প্রতিদিন জঙ্গিবাদবিরোধী শপথ হয় যে স্কুলে








