গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজারের ব্যবসায়ীরা দ্বিতীয় দিনের মতো শনিবার ধর্মঘট পালন করে। পরে দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ আশ্বাস দিলে ব্যবসায়ীরা কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করে। এরআগে সকাল ৭টা থেকে কর্মসূচি শুরু হয়।
বরমী বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন মোড়ল বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে বরমী বাজারের পল্টন মোড়ে ব্যবসায়ীদের আমরণ অনশন চলছিল। এসময় গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আমির হোসেন মুঠোফোনে লাউড স্পিকারে ব্যবসায়ীদের আশ্বাস দেন। পরে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচি স্থগিত করি। তবে গ্রেফতারকৃতদের জামিন না হলে কর্মসূচি আবারও শুরু করা হবে।’
এর আগে বরমী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি অহিদুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাজারে স্থায়ী কমপক্ষে এক হাজার ব্যবসায়ী রয়েছেন। নিরীহ ব্যবসায়ীরা প্রায়ই পুলিশের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। গাজীপুর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কিছু সদস্য মাদকসেবী, দাগী আসামিদের সোর্স বানিয়ে ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাতে সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ বরমী বাজারের আমীর ট্রেডার্সে অভিযান চালায়। তারা ওই দোকানে পলিথিন জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়ার কথা বলে। এসময় ব্যবসায়ীরা ম্যাজিস্ট্রেট বিহীন ভ্রাম্যমান আদালতের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেন। এ নিয়ে ডিবি পুলিশের সঙ্গে ব্যবসায়ীরা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এসময় ইটপাটকেলের আঘাতে ইয়াসিন (৩৬) নামে এক ডিবি পুলিশের কনস্টেবল আহত হন। পরে ব্যবসায়ীরা ডিবিদের বরমী বাজার বণিক সমিতিতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরবর্তীতে পুলিশ জনবল বাড়িয়ে ঘটনাস্থল থেকে ডিবি সদস্যদের উদ্ধার ও তিন ব্যবসায়ীকে আটক করে নিয়ে যায়।
এঘটনায় আটক তিন ব্যবসায়ীসহ দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে শ্রীপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
/এনএস/







