পেঁয়াজের দাম কম হওয়ায় হতাশ ফরিদপুরের চাষিরা। জেলার নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার বিভিন্ন হাটে পেঁয়াজ চাষি, ক্রেতা, ঘর মালিক ও হাট ইজারাদারের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। ন্যায্য মূল্য না পেয়ে অনেক চাষি হাট থেকে পেঁয়াজ বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে দেখা গেছে।
জেলার বিভিন্ন হাটে গিয়ে দেখা গেছে, ভালো মানের পেঁয়াজের মণ বর্তমান বাজারে ৩৮০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরকান্দ উপজেলার রসুলপুর গ্রামের কৃষক সেক সেকেন জানান, প্রায় পাঁচ বিঘা জমিতে দেড় লাখ টাকা খরচ করে একশ মণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে তার। এখন পর্যন্ত আশি মণ পেঁয়াজ বিক্রি করে খরচের টাকা তোলা সম্ভব হয়নি।
রছুলপুর বাজারে অরতদার মুস্তফা শেখ বলেন, ‘আগের বছরগুলোতে হাজার-হাজার মণ পেয়াজ ঢাকায় পাঠিয়েছি। কিন্তু এবার ঢাকায় পেঁয়াজের চাহিদা নাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকার লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) করে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ না করলে দর বাড়ার সম্ভাবনা নাই।’
রামকান্তপুর বাজারের ঘর মালিক হাচান মোল্যা জানান, ৩ দিন আগে এক ব্যবসায়ী তার ঘরে ১৫ মণ পেঁয়াজ রাখে। পেঁয়াজের চরম দরপতনে হতাশ ওই ব্যবসায়ী শনিবার কেনা পেঁয়াজ পাশের মাটিয়াদহ নদীতে ফেলে দেন।
সালথা বাজারের হাট ইজারাদার ও ভাওয়াল ইউপি সদস্য মো.বিল্লাল মাতুব্বর বলেন, ‘পেঁয়াজের দামের ব্যাপারে কিছু বলার নেই। হাটে পেঁয়াজ এনে আমি নিজেই বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে গেছি। পেঁয়াজের বাজার দর মানভেদে ১৭০ থেকে ৩৮০ টাকা মণ। এভাবে চললে চাষিরা তাদের উৎপাদন খরচ তুলতে পারবে না। এতে পরের বছর পেঁয়াজ চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে চাষিরা।
/এমডিপি/







