পাপ মোচনের আশায় প্রতিবছর চৈত্র মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে নারায়ণগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান করতে দেশ বিদেশে থেকে আসেন সনাতন ধর্মালম্বী লাখ লাখ পুন্যার্থী। এবারও স্নান হবে ৩ ও ৪ এপ্রিল। কিন্তু এখনো নদ ভরে রয়েছে কচুরিপানায়। দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এ স্নানোৎসব হয়। উৎসবের সবটা জায়গা দখল করে রেখেছে কচুরিপানা। এ ঘাটগুলো দিয়ে স্নান করা তো দূরের কথা এখান থেকে এক বালতি পানি আনতে গেলেও ভোগন্তিতে পড়তে হবে।
হিন্দু ধর্মালম্বীদের তিথি অনুযায়ী ৩ এপ্রিল ভোর ৫টা ৪১ মিনিট ৭ সেকেন্ডে মহাষ্টমী স্নানোৎসবের লগ্ন শুরু হবে। লগ্ন ৪ এপ্রিল শেষ হবে মঙ্গলবার বিকাল ৩টা ৩২ মিনিট ২৭ সেকেন্ডে।
অন্য বছরের মতো এবারও নদের ১২টি ঘাটে স্নানোৎসবে জীবন থেকে পাপমুক্তির বাসনায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ সনাতন পুন্যার্থী যোগ দিবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা। তবে সবগুলো ঘাটেই রয়েছে প্রচুর কচুরিপনা।
প্রতিবছর স্নান করতে যান নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার রনজিৎ মোদক। তিনি বাংলা ট্রিবিউন বলেন, ‘গত বছরও কচুরিপানার কারণে আমাদের স্নান করতে সমস্যা হয়েছিল। যদিও বাঁশ দিয়ে সেগুলো কিছুটা দূরে আটকে রাখা হয়েছিল। এবারও অনেক কচুরিপানা। এগুলো আগে থেকেই পরিষ্কার করা উচিত।’
প্রেমতলা ঘাটের পাশেই দোকানদার সাইফউদ্দিন জানান, গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে এবার কচুরিপানা একটু বেশি দেখা যাচ্ছে। কচুরিপানা থাকায় লোকজন নৌকা দিয়েই পার হতে পারছে না।
লাঙ্গলবন্দ স্নান উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সরোজ কুমার সাহা জানান, বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। আশা করছি স্নানের আগেই প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া জানান, স্নানের আগেই লাঙ্গলবন্দ স্নান উদযাপন ঘাট এলাকার ২ কিলোমিটার জুড়ে ব্রহ্মপুত্র নদের কচুরিপানা সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলা হবে।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন: আতিয়া মহল থেকে উদ্ধার দুই জঙ্গির দাফন সম্পন্ন







