মুন্সীগঞ্জ সদরের চরকেওয়ার ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমসুরা গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এক জন নিহত ও কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। শনিবার ভোরে এই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. মাসুদ (২২) নামে একজন নিহত হন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইউনুচ আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গুলিবিদ্ধ মো. তারিককে (২৩) গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে এবং গুলিবিদ্ধ ইরফানকে (২০) সদর হাসপাতালে চিকিতসা দেওয়া হচ্ছে। সংঘর্ষে আহত হয়েছে কমপক্ষে ১০ জন।
ওসি মো. ইউনুচ আলী বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শনিবার ভোরে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন মারা যান। আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
সাবেক চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ভুইয়া বলেন, ‘মূলত মন্টু মেম্বার ও হারুন মেম্বারের গ্রুপের মধ্যে এই মারামারির ঘটনা ঘটে। আমি আওয়ামী লীগের সদর থানার সভাপতি হিসেবে হারুন মেম্বারকে সাপোর্ট করি। কারন সেও আওয়ামী লীগ করে। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আক্তারুজ্জামান মন্টু মেম্বারকে সমর্থন করে। মন্টু মেম্বার বিএনপি করে।’
এদিকে, আফসার উদ্দিন ভুইয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে চরকেওয়ারের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘তার অভিযোগ ঠিক নয়। আমি কাউকে অন্যায় মারামারিতে সমর্থন করি না। এখানে মূলত মারামারি করেছে মন্টু মেম্বার গ্রুপ ও শাহীন মাদবর গ্রুপ। আমি ঢাকায় ছিলাম। এখান থেকে শুনি শাহীন মাদবরের গ্রুপ প্রথমে মারামারি শুরু করে।’
পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম পিপিএম জানান, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করে যাচ্ছে।’
/এফএস/
আরও পড়ুন-








