নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যৌতুকের টাকা না পেয়ে তানিয়া আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূর হাত আগুনে ঝলসে ও পিটিয়ে পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বাড়িয়াছনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত গৃহবধূ তানিয়া আক্তার সাংবাদিকদের জানান, ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে ভুলতা নয়াবাড়ি এলাকার সাইজুদ্দিন মিয়ার ছেলে রুমার মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় নগদ ৫৫ হাজার টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও আসবাবপত্র যৌতুক হিসেবে দেওয়া হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আরও যৌতুকের জন্য তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করে। গত এক মাস ধরে ব্যবসা করার অজুহাত তুলে পাঁচ লাখ টাকা এনে দিতে তাকে চাপ দেয় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তিনি টাকা এনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় রবিবার রাতে স্বামী রোমান, শাশুড়ি সুবেজা বেগম, শ্বশুর সাইজুদ্দিন, ননদ রুমী আক্তার তাকে মারধর করে। এ সময় তারা একাধিক মোমবাতি জ্বালিয়ে তার ডান হাতের বিভিন্ন স্থান ঝলসে দেয়। শ্বশুর সাইজুদ্দিন কাঠ দিয়ে পিটিয়ে বাম পা ভেঙে ফেললে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তানিয়া।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, খবর পেয়ে তার বড়বোন তাসলিমা উদ্ধার করতে গেলে তাকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে প্রথমে স্থানীয় আল রাফি ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর নাম বদলে এমপির নামে কলেজ: দ্বিতীয় মামলাও খারিজ







