টাঙ্গাইলের সখীপুর প্রেসক্লাবের পিয়ন ছাহেরা খাতুনের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনার মূলহোতা বিএনপি নেতা আবদুল করিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৌর শহরের উপজেলা রোডের কেয়াকলি পারটেক্স ফার্নিচারের দোকান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ওই দোকানের কর্মচারী রিপনকেও গ্রেফতার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সখীপুর প্রেসক্লাবের পিয়ন ছালেহা খাতুন পাওনা টাকা চাইতে বিএনপি নেতা আবদুল করিমের পৌর শহরের উপজেলা রোডের কেয়াকলি পারটেক্স ফার্নিচারের দোকানে যান। এ সময় কথা কাটাকাটিতে অভিযুক্ত চার ব্যক্তি ছালেহাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে। এ সময় ছালেহার আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। হামলার শিকার ওই নারী সখীপুর প্রেসক্লাবের পিয়ন এবং ক্লাবের সামনেই চা-পানের দোকানি।
এ ঘটনায় বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ছাহেরার বাবা আবদুস ছামাদ হামলাকারী বিএনপি নেতা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ব্যবসায়ী আবদুল করিম, তার ছেলে উপজেলা ছাত্রদল নেতা পারভেজ, কর্মচারী রিপন ও নিক্সনকে আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করেন।
আহত ছালেহা খাতুন বলেন, তলপেটেসহ গায়ে আঘাত করেছে হামলাকারীরা। গরিব মানুষ বলে আমাকে নির্দয়ভাবে মারা হয়েছে।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হক ভূইয়া বলেন, ‘অভিযুক্ত মূলহোতাসহ দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
এদিকে নারীর গায়ে হাত তোলা ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাকিল আনোয়ার, সম্পাদক এনামুল হকসহ সাংবাদিকরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।








