সাভারে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের উত্তর হাতে লিখে নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সময় ধরা পড়ায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। এ সময় ওই শিক্ষার্থী দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। মঙ্গলবার দুপুরে সাভার অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা চালাকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়। সাভার অধরচন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন পিটার গমেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, সকালে ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকার আগে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের উত্তর হাতের মধ্যে লিখে নিয়ে আসে। অল্প সময়ের মধ্যে ওই শিক্ষার্থী নৈর্ব্যক্তিক ৩০টি প্রশ্নের মধ্যে ২৫টির উত্তর লিখে ফেলে। এ সময় কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার সন্দেহ হলে তিনি ওই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই পরীক্ষার্থী তার এক বন্ধুর মাধ্যমে আগেই প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে। আর প্রশ্ন দেখে উত্তর লিখে নিয়ে এসেছে বলেও স্বীকার করে। পরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ম্যাজিস্ট্রেট) তাকে বহিষ্কার করলে ওই শিক্ষার্থী দোতলার বারান্দা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমজাদুল হক বলেন, প্রথমে ওই শিক্ষার্থীকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। তার এক্সরে করাসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তার বাম পায়ের হাড় ভেঙে গেছে এবং কোমরে গুরুতর আঘাত পেয়েছে। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
সাভার মডেল থানার ওসি মহিসিনুল কাদির বলেছেন, আমি ঘটনা শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








