গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. কবির মিয়া অভিযোগ করেছেন, তার নির্বাচনি প্রচারণা বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। অপর এক চেয়ারম্যান প্রার্থী এমএম মহিউদ্দিন আহম্মেদ (মুক্ত মুন্সী) ও তার সমর্থকরা খান্দারপাড় বাজারে তার আনারস প্রতীকের পক্ষে মাইকিং করার ও পোস্টার টাঙানোর সময় চারজনকে মারধর করেছে। অভিযুক্ত এমএম মহিউদ্দিন আহম্মেদ নিজেকে আওয়ামী লীগের স্থানীয় বেশিরভাগ নেতাদের সমর্থন পাওয়া প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে কবির মিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
কবির মিয়ার আহত ওই চার সমর্থককে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. কবির মিয়া অভিযোগ করে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জে দলীয় মনোনয়ন না দিয়ে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। আমি নিজে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার আদর্শের একজন সৈনিক। কিন্তু আমার প্রতিদ্বন্দ্বী এমএম মহিউদ্দিন আহম্মেদ নিজেকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত বলে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন।'
তিনি আরও বলেছেন, 'খান্দারপাড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাব্বির খানসহ উপজেলার বেশ কিছু আওয়ামী লীগ নেতা ভোটারদের মহিউদ্দিনের মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ ও ভয়ভীতি দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও ভাবড়াশুর ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামের মনোজ বিশ্বাসের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে মহিউদ্দিনের কর্মী-সমর্থকেরা। আমি এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দেবো।’
এমএম মহিউদ্দিন আহম্মেদ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘মো. কবির মিয়ার নির্বাচনি প্রচারণায় আমার কোনও লোক বাধা দেয়নি। তবে মুকসুদপুর উপজেলার অধিকাংশ আওয়ামী লীগ নেতাই আমার পক্ষে।’








