গোপালগঞ্জে মৃত্যুর প্রায় তিন মাস পর পুনঃময়না তদন্তের জন্য স্কুলছাত্রী লামিয়া ইসলামের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিলন সাহার উপস্থিতিতে কবর থেকে লামিয়ার লাশ উত্তোলন করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক ফতেহ মো. ইফতেখারুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
সে সদর উপজেলার ডুমদিয়া গ্রামের সেনা সদস্য নূর ইসলামের মেয়ে এবং রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
গত ৮ জুন তার মামার বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় লামিয়ার লাশ পাওয়া যায়। এর আগের দিন সে তার মায়ের সঙ্গে গ্রামের বাড়ি ডুমদিয়া থেকে সদর উপজেলার তালা গ্রামে মামার বাড়িতে বেড়াতে যায়। সে সময় লামিয়া আত্মহত্যা করেছে বলে থানায় জিডি করা হয়। পরে এ নিয়ে গোপালগঞ্জ আদালতে একটি মামলা হয়। বর্তমানের মামলাটির তদন্তের ভার সিআইডির হাতে দিয়েছে আদালত।








