রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে তীব্র স্রোত ও ভাঙনে সাময়িক বন্ধ রয়েছে ১,২,৩ ও ৪নং ফেরি ঘাট। ৬টি ঘাটের মধ্যে ৪টি ঘাট বন্ধ থাকায় চরম ব্যাহত হচ্ছে নৌযান চলাচল।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে চলছে মাত্র পাঁচটি ফেরি। এছাড়া নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে এ রুটে গত শুক্রবার থেকে বন্ধ রয়েছে লঞ্চ চলাচল। ফলে পদ্মা পাড়ি দিতে আসা যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকগুলো দৌলতদিয়া ঘাট প্রান্তে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে আছে।
বেনাপোল থেকে ঢাকাগামী ট্রাকচালক সোহেল ব্যাপারী বলেন, গত ৪ দিন ধরে গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় সিরিয়ালে আটকে আছি। কবে ফেরি ঘাটে পৌঁছাবো তা বুঝতে পারছি না।
বরিশাল থেকে ঢাকাগামী সাকুরা পরিবহনের যাত্রী বেলা রানী দাস বলেন, পূজার ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছি। সকালে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় আসলেও দুপুর হয়ে গেছে বাস ফেরিতে উঠতে পারেনি।
দৌলতদিয়া লঞ্চ ঘাটের সুপারভাইজার মো. মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ‘গত শুক্রবার দুপুর থেকে পদ্মার তীব্র স্রোতে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। এতে সাধারণ যাত্রীদের নদী পারাপার ব্যাহত হচ্ছে।
দৌলতদিয়া ঘাটের বিআইডব্লিউটিসি’র ব্যাবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আবদুল্লাহ বলেন,‘দৌলতদিয়ায় ৬টি ফেরি ঘাটের মধ্যো ১,২,৩ ও ৪ নং ফেরি ঘাটে স্রোতের তীব্রতা বেশি। যার কারণে ফেরি ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই ফেরি ঘাট চারটিতে অপারেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৩টি ফেরি থাকলেও চলছে মাত্র পাঁচটি। স্রোত কমলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে।’
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অংকুর বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত ১ ও ২ নং ফেরি ঘাটের ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে বালিভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। কাজ চলমান রয়েছে।’







