ফেরি কাকলি পদ্মার স্রোতে চলার অনুপযুক্ত ছিল। তাই ফেরিটি এই রুট থেকে সরিয়ে অন্য রুটে চালানোর জন্য দুইদিন আগেই চিঠি দিয়ে সতর্ক করেছিলেন ফেরিচালক। কিন্তু শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট থেকে ফেরিটি সরানো হয়নি। এরমধ্যেই ফেরিটি শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সকালে পদ্মা সেতুর ১০ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়।
ফেরি কাকলির চালক মো. বাদল হোসেন বলেন, কাকলি একটি মেকানিক্যাল ফেরি। তাই বর্তমানে পদ্মায় যে তীব্র স্রোত তার বিপরীতে এর নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন। এতে করে যেকোনও সময় পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা লাগতে পারে। তাই ফেরিটি স্থানান্তরের জন্য লিখিতভাবে আবেদন করেছিলাম।
এদিকে, শুক্রবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বড়াল নামে জাহাজে করে পদ্মা সেতু এলাকা ও মাদারীপুরে মাঝিকান্দির ঘাট পরিদর্শন করেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
সকালে পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফেরির ধাক্কার বিষয়ে সবকিছু খতিয়ে দেখা হবে। পদ্মা সেতুতে আঘাতের ঘটনা যেন বার বার না ঘটে, সে বিষয়ে করণীয় নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান তিনি।









