শরীয়তপুরের সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে কুদ্দুস বেপারী (৮০) নামে একজন নিহত ও কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ মে) সকাল ৯টার দিকে ইউনিয়নের মজুমদার কান্দি গ্রামে ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হারুন হাওলাদার এবং জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম হাওলাদারের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত কুদ্দুস বেপারী চিতলিয়া ইউনিয়নের মজুমদার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে ঈদের নামাজ শেষে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এ সময় ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কুদ্দুস বেপারীসহ ২০ জন গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সংঘর্ষে এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পালং মডেল থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, ‘সকালে এই সংঘর্ষ বাধে। এতে ঘটনাস্থলে কুদ্দুস বেপারী নামের একজন মারা যান। এ ছাড়া ২০ জন আহত হন। এর মধ্যে দুই জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনও মামলা হয়নি। তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








