টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (২৬) গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। বুধবার (১১ মে) সকালে উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মোশারফ হোসেন নাগবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার।
নির্যাতনের শিকার প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, ‘স্বামী বিদেশ যাওয়ার পর থেকেই ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন তার এক বন্ধুকে দিয়ে আমাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। আমি তাতে রাজি না হওয়ায় ওরা ক্ষিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে তারা দুই জন গত ৪ এপ্রিল রাতে ঘরে ঢুকে আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় আমার চিৎকারে ওরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনার জেরে সকালে মোশারফের স্ত্রী-বোনেরা আমার ও সন্তানদের ওপর হামলা চালায়। তারা আমাকে গাছে বেঁধে রেখে চলে যায়। পরে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আমি তাদের বিচার চাই।’
তবে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে ওই নারীর পরিবারের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এলাকায় একাধিকবার সালিশও হয়েছে। মামলা মোকাদ্দমাও হয়েছে। আজ কাঁঠাল পারতে গেলে ওই নারী বাঁধা দেন। শুনেছি পরে মহিলারা তাকে গাছে বেঁধে রাখে। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। আর কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।’
মোশারফ হোসেনের স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী ভালো চরিত্রের মানুষ। বাড়ি ও জমির লোভেই ওই প্রবাসীর স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ তুলছে।’
নাগবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাইয়ুম বিপ্লব বলেন, ‘সম্মেলনের কাজে ব্যস্ত থাকায় আমি ঘটনাস্থলে যেতে পারিনি। তাকে গাছে বেঁধে রাখার ঘটনাটি শুনেছি। ইউপি সদস্য বা যেই অপরাধ করুক তার শাস্তি হওয়া দরকার।’
কালিহাতী থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









