টাঙ্গাইলে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে চার প্রার্থী এক ভোটও পাননি। এছাড়া আরও ৯ প্রার্থী এক থেকে ১১টি করে ভোট পেয়েছেন। সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ইভিএমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত।
কোনও ভোট না পাওয়া সদস্য প্রার্থীরা হলেন—৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাতি প্রতীকের শেখ রফিকুল ইসলাম, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের অটোরিকশা প্রতীকের জহিরুল ইসলাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাতি প্রতীকের প্রার্থী ফরিদুর রহমান ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তালা প্রতীকের প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক।
এছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে শহিদুল ইসলাম তালা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন পাঁচটি, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তালা প্রতীকে শাহাদত হোসেন বাবু পেয়েছেন এক ভোট, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে উটপাখি প্রতীকে আনিছুর রহমান তুহিন পেয়েছেন ছয় ভোট, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কামাল আহমেদ হাতি প্রতীকে চার ভোট, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ঘুড়ি প্রতীকে প্রভাংশু রঞ্জন সোম পেয়েছেন এক ভোট ও গোলাম কিবরিয়া হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ১০ ভোট, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে মানিক স্যানাল হাতি প্রতীকে পেয়েছেন তিন ভোট, রফিকুল ইসলাম সংগ্রাম উটপাখি প্রতীকে সাত ভোট এবং মিজানুর রহমান খান হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ১১টি ভোট। নির্বাচনে ভোট না পাওয়া ও কম ভোট পাওয়া সবার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এইচএম কামরুল ইসলাম বলেন, ‘কাস্টিং ভোটের মধ্যে যারা সাড়ে ১২ শতাংশের কম পেয়েছেন তাদের জামানত বাতিল করা হয়েছে। তবে কয়েকটি উপজেলায় বেশ কয়েকজন সদস্য কোনও ভোট পাননি।’
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সদস্য পদে মধুপুরে খন্দকার শফিউদ্দিন মনি নির্বাচিত হন। নির্বাচনে ১১টি সাধারণ সদস্য পদে ৪০ জন এবং চারটি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।









