নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় পৃথক দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মুছাপুরের জহরপুর এলাকায় ছেলের বিরুদ্ধে তার মা আয়েশা বেগমকে (৪৮) হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পৃথক ঘটনায় বনপাড়া এলাকা থেকে মাসুম হাওলাদার(৩৫) নামে এক অটোচালকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ নভেম্বর) সকাল ও দুপুরে তাদের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত আয়শা বেগম জহরপুর এলাকার রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অপর ঘটনায় অটোচালক মাসুম বাগেরহাট মোড়লগঞ্জের কাকবুনিয়া গ্রামের সেকান্দার হাওলাদারের ছেলে। তিনি বন্দর চিতাশাল এলাকার আল আমিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া।
নিহত আয়শা বেগমের বাবা আব্দুল মিয়া জানান, রবিবার রাতে নিজ ঘরে মা ছেলে ঘুমিয়ে ছিল। রাত ৩টার দিকে সজিব তার মাকে ঘুমন্ত অবস্থায় ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যায়। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হলে হলে আয়শার ঘরের দরজা খোলা দেখেন তিনি। পরে ঘরে ঢুকে তার রক্তাক্ত দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন।
তিনি আরও বলেন, সজিবের জন্ম হওয়ার পর আয়েশার স্বামী রফিক চলে যায়। পরে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে সে আমার বাড়িতে বসবাস করতো।
এদিকে নিখোঁজের তিনদিন পর সোমবার দুপুরে উপজেলার বনপাড়া এলাকায় একটি ডোবা থেকে মাসুম নামে এক ভ্যান চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে বাসা থেকে বের হয়ে মাসুম নিখোঁজ হলে স্বজনরা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। সোমবার সকালে ডোবায় লাশ ভেসে উঠলে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মাসুমের লাশ শনাক্ত করে।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর ছিদ্দিক জানান, মুছাপুর ইউপির জহরপুর এলাকায় স্বামী পরিত্যক্ত এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই নারীর শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এদিকে নিহতের ছেলে পলাতক। স্বজনরা বলছে, ছেলে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। তদন্ত চলছে।
তিনি আরও জানান, বন্দর বনপাড়া এলাকায় এক ডোবা থেকে নিখোঁজ অটোচালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। দুটি ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।









