মাদারীপুরের শিবচর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২২তম সম্মেলনে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনার আহত বজলুর রহমান (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
নিহত বজলুর রহমান শিবচর উপজেলার ভদ্রাসন ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের খানকান্দি পূর্বপাড় এলাকার মন্নাফ বেপারীর ছেলে ও ভদ্রাসন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্র জানায়, শনিবার সকালে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন সকালে সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকার উদ্দেশে শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা কয়েকটি বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারযোগে রওনা দেন।
পথিমধ্যে সকাল ৯টার দিকে নেতাকর্মীদের বহন করা একটি প্রাইভেট কার ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কের টোলপ্লাজায় দেওয়ার সময় পেছন থেকে তাজ আনন্দ পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দিলে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় গাড়িতে থাকা বজলুর রহমানসহ আরও চার নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ভদ্রাসন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রিপন মাদবর বলেন, বজলুর রাজনীতিতে আমাদের একজন মেধাবী ও দক্ষ নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমাদের দলের অনেক ক্ষতি হলো। এটা পূরণ হওয়ার নয়।
শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. সেলিম বলেন, সকালে আমরা সবাই ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলাম। বজলুর রহমান একটি প্রাইভেটকারে ছিল। কারটিকে একটি বাস পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। সে কারের পেছনে ছিলে। গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল নেওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ আগে মারা যায়। সে আমাদের দলের একজন ভালো নেতা ছিল।









