ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেছেন, ‘এ বছর ঈদযাত্রায় নির্বিঘ্নে পরিবহন চলাচল করবে। ফিটনেসবিহীন ও লাইসেন্স ছাড়া মহাসড়কে কোনও পরিবহন চলাচল করতে পারবে না। এটা কঠোরভাবে কার্যকর করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো ডাম্পিংয়ে নেওয়া হয়েছে। মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা কাজ করছে।’
বুধবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়ক পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, ‘মহাসড়কে যানজট নিরসনে একাধিকবার মিটিং করা হয়েছিল। এ বছর যারা ঘরমুখী মানুষ রয়েছে তারা যেন নির্দ্বিধায় বাড়ি পৌঁছাতে পারে এবং পুনরায় কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারে। সড়কে প্রচুর যানজট, দুর্ঘটনা, ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাগুলো নিয়ে আমরা একটি উদ্যোগ হাতে নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার থেকে অফিস আদালত ও গার্মেন্টসে যারা কাজ করে তারা গতকাল থেকেই ছুটি পেয়েছে। গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রচুর মানুষ বাড়ি গিয়েছে এবং আগামী কালও যাবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সফলভাবে মানুষজন বাড়ি পৌঁছালেই আমরা বলবো, মানুষজন সফলভাবে ঈদযাত্রা সম্পন্ন করেছে।’
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত আসতে সময় লেগেছে মাত্র ৪৪ মিনিট। এর মধ্যে কোনও জায়গাতে দাঁড়াতে হয়নি। গাড়িগুলো খুবই সুন্দরভাবে বাধাহীনভাবে চলাচল করছে। মহাসড়কের কোথাও কোনও যানজট, ভুল পার্কিং নেই, কোনও ফিটনেসবিহীন গাড়ি নেই, জায়গায় জায়গায় পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে। পুলিশের সদস্য পাহারা দিচ্ছে যাতে কোনও অনিয়ম না হয়। শুধু ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক নয়, ঢাকা রেঞ্জের অধীন সবগুলো সড়কে একইভাবে কাজ করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বিগত বছরের চেয়ে এ বছর নিরাপদ ঈদযাত্রা হবে। যানজটের পাশাপাশি হাইওয়েতে যেন ছিনতাই ডাকাতি না হয় এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এবার সড়কে কোনও যানজট, ডাকাতি ও ছিনতাই হবে না। বাংলাদেশের কোনও জায়গাতে ছিনতাই বা ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি।’
এর আগে মহাসড়কের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা বাস স্ট্যান্ড এলাকার পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন এবং দূরপাল্লা বাসের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মাশরুকুর রহমান খালেক, জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. সরফুদ্দিনসহ অন্যরা।









