গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ভাতা দেওয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মিল্টন ফকিরের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে (১৬ মে) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোরীরা। ইউএনও মেহেদী হাসান এ তথ্য জানান।
মিল্টন উপজেলার নিজামকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।
অভিযোগপত্র ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বয়স্ক, বিধবা, পঙ্গু, মাতৃত্বকালীন ভাতা ও পারিবারিক রেশন কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অসহায়, দরিদ্র পরিবারের অর্ধশতাধিক মানুষের কাছে তিন থেকে ছয় হাজার করে টাকা নিয়েছেন মিল্টন। ভাতা ও কার্ড না করে দিয়ে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। টাকা চাইতে গেলে নানা তালবাহানা করছেন। এমনকি ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী যমুনা বেগম (৬৫) জানান, বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অফিস খরচ বাবদ তার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেন মিল্টন। ছয় মাস পার হলেও কার্ড করে দেননি। টাকা ফেরত চাইতে গেলে নানাভাবে হুমকি দেন।
একই অভিযোগ করেছেন ওই ওয়ার্ডের নাদিরা বেগম, ফতেমা বেগম, বতু মোল্যা।
মিল্টনের সঙ্গে কথা হলে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘এলাকার দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। এর আগেও আমাকে নানাভাবে হয়রানি করেছে তারা।’
নিজামকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ আমার কাছে কোনও অভিযোগও দেয়নি। তবে শুনেছি এ বিষয়ে ইউএনওর কাছে একটি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।’
ইউএনও মেহেদী হাসান বলেন, ‘ইউপি সদস্য মিল্টনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’









