নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে নৌকার প্রার্থী বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) বলেছেন, ‘নির্বাচনি মাঠে জনগণের পরিপূর্ণ সাড়া পাচ্ছি। আমার দলের কর্মীর সংখ্যা বেশি আর উৎসুক জনগণ দলে দলে আমার প্রচারণায় চলে আসেন। কাজেই আমি যেখানে যাই, সেখানে কোনও কর্মী নিয়ে যেতে হয় না। আমি যেখানে যাই একা যাই, সেখানে গিয়ে স্থানীয় লোকদের কাছে ভোট চাই, তাদের নিয়ে গণসংযোগ করি।’
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রূপগঞ্জের রূপসী এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে পাটমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে জনগণের কোনও চাহিদা নেই। রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ সবাই এখানে হয়েছে। কাজেই আমাকে ভোট না দেওয়ার কারণ দেখি না।’
আমার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকারের সঙ্গে কোনও বিরোধ নেই উল্লেখ করে গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ‘তৃণমূল বিএনপির এই প্রার্থীকে নিয়ে আমার কোনও মাথাব্যথা নেই। তার পোস্টার আমার বাড়ির গেটে ঝুলছে। তৈমুরের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল না, এখনও নেই। আমরা চাই তিনিসহ আমার সব প্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত থাকুক।’
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন নিজেরাই নির্বাচনি ক্যাম্পে আগুন দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজন নিজেরাই নির্বাচনি ক্যাম্পে আগুন দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার জন্য ও সভা পণ্ড করার জন্য চেষ্টা করছেন।’
ভূমিদুস্যরা চিহ্নিত হয়ে গেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ জানে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পেছনে ভূমিদস্যুরা আছে। রূপগঞ্জে বালু দিয়ে সব জমি ভরাট করে ফেলেছে তারা। জনগণ তাদের ওপর বিরক্ত এবং ক্ষুব্ধ।’
নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই প্রার্থী বলেন, ‘ভূরিভোজ করিয়ে লোক টানার চেষ্টা করছে, নৌকার ক্যাম্প ভাঙচুর করছে। আমরা চাই, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কারণ নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ও কঠিনভাবে সব বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং আরও নেবে আশা করছি।’
এবারও নৌকার জয় হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি দুর্নীতি করিনি। এমপি থাকাকালে সবসময় এলাকাবাসীর সঙ্গে থেকেছি। তাই বিশ্বাস আছে, জনগণ আমাকেই আবারও বেছে নেবেন।’









