ঈদযাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে গাড়ির চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ। তবে এখনও এ সড়কে যানজট সৃষ্টির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। ফলে অনেকটা স্বস্তিতেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন ঘরমুখো মানুষ।
এদিকে, যমুনা সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় সাড়ে ৪৮ হাজার যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩৮ লাখ ৫২ হাজার ৯০০ টাকা। শনিবার (২৯ মার্চ) সকালে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ এ তথ্যটি নিশ্চিত করে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ হাজার ৩৩৫ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩০ হাজার ৩৯৮টি যানবাহন পার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯০ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫০টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৭ হাজার ৯৩৭টি যানবাহন পার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৫৪ হাজার ৩৫০ টাকা। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় এই সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ২২৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয় দুই কোটি ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা।
ঈদযাত্রায় গতকাল শুক্রবার থেকে এ সড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ বেড়েছে। তবে এখনও যানজটের খবর পাওয়া যায়নি। এ কারণে ঘরমুখো মানুষজন অনেকটা স্বস্তিতেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন। কিন্তু পণ্যবাহী ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে করে যেসব যাত্রীরা বাড়ি ফিরছেন তাদেরেকে রোদের কারণে অনেকটা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
যযুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবির পাভেল বলেন, ‘ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর আশপাশে এখনও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। সেতুর দুই পাশে ৯টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুইপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে।’
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, ‘এ সড়কে এখনও যানজটের সৃষ্টি হয়নি। তবে যানবাহনের চাপ রয়েছে। আর পণ্যবাহী ট্রাক-পিকআপ ভ্যানে ঘরমুখো মানুষের যাত্রাকে নিরুৎসাহিত করতে কয়েকদিন ধরে প্রচার চালানো হচ্ছে।’








