নারায়ণগঞ্জের পাঁচ আসনে ভোটের লড়াই

বিএনপির চ্যালেঞ্জ বিদ্রোহী, সমঝোতা হয়নি জামায়াত জোটে

আরিফ হোসাইন কনক, নারায়ণগঞ্জ
২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০১আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০১

নারায়ণগঞ্জে পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের লড়াইয়ে ৪৮ প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন। এর মধ্যে চারটি আসনে বিএনপি ও তাদের শরিক দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে পাঁচ জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অপরদিকে দুটি আসনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোটের একাধিক প্রার্থী রয়েছেন। ফলে সেসব আসনেও সমঝোতা হয়নি। এ নিয়ে রীতিমতো জটিল সমীকরণ তৈরি হয়েছে জেলার রাজনীতিতে।

ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিতে চার ডজন প্রার্থী প্রচারণার কাজ শুরু করেছেন পুরোদমে। তবে এসব নাটকীয়তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা ও প্রচারণায় প্রকাশ্যে বাধা ও হুমকি দেওয়ার ঘটনা। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বাকযুদ্ধ রীতিমতো টক অব দ্য টাউন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, পাঁচটি আসনে ৪৮ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে সাত জন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে সাত জন, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ১১ জন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ জন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১০ জন।

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন যুবদল নেতা মো. দুলাল, জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইমদাদুল্লাহ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মনিরুজ্জামান চন্দন, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াসিম উদ্দিন ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. রেহান আফজাল।

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের প্রার্থীরা হলেন- ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, সিপিবির হাফিজুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর ইলিয়াস মোল্লা, গণঅধিকার পরিষদের কামরুল মিয়া, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী আবু হানিফ হৃদয়।

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও বিএনপি দলের সাবেক এমপি ও প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম।

আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোট থেকে চার জন রয়েছেন। তারা হলেন-জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. শাহজাহান, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম। অবশ্য জামায়াতের প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। রবিবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. শাহজাহানকে সমর্থন দিয়েছেন। 

এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ, গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস, জনতার দলের আবদুল করিম মুন্সী ও গণঅধিকার পরিষদের মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লার পাঁচ ও সদরের দুই ইউনিয়ন) আসনের প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি দলীয় জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনির হোসাইন কাসেমী, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। ১০ দলীয় জোট থেকে দুজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন- জাতীয় নাগরিক পার্টির অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন। 

এ ছাড়া বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি ইসমাইল কাউসার, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সেলিম মাহমুদ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. সুলাইমান দেওয়ান, সিপিবির ইকবাল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির সেলিম আহমেদ।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির আবুল কালাম, স্বতন্ত্র সাবেক চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির নেতা মাকসুদ হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মাছুম বিল্লাহ, খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুন, গণসংহতি আন্দোলনের তারিকুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদী, বাসদের আবু নাঈম খান বিপ্লব, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এইচএম আমজাদ হোসেন মোল্লা, সিপিবির মন্টু চন্দ্র ঘোষ ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নাহিদ হোসেন।

দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপি প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন-নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যুবদল নেতা মো. দুলাল, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও বিএনপি দলের সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম ও বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচনি মাঠে বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন। সম্প্রতি তার নির্বাচনি প্রচারণায় ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা প্রকাশ্যে বাধা ও হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনার চার দিন আগে এই স্বতন্ত্র প্রার্থীর আরেক কর্মীর ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। সবমিলিয়ে এই আসনে ভোটারদের মধ্যে বেশ শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ধানের শীষের প্রার্থীর লোকজন আমার নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা দিয়ে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন। এ ঘটনার ভিডিও সবাই দেখেছে। তাদের বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তবে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করি। ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। জয়ের বিষয়ে আমি শতভাগ আশাবাদী।’

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দুজন বিদ্রোহী প্রার্থীসহ তিন জন রয়েছেন। মূলত এই আসনে ধানের শীষের কোনও প্রার্থী না দিয়ে জোট থেকে প্রার্থী দেওয়ায় তৃণমূলের অনেকাংশে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ফলে প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপি জোটের প্রার্থীর সমালোচনা করে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘একটা পরগাছাকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার মানুষ তাকে চেনে না। তার মার্কা চেনে না। তিনি কোনও মানুষের উপকার করে নাই। এখন সেই প্রার্থী সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও বিতর্কিতদের নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। কারণ হচ্ছে তাদের পায়ের নিচে মাটি নাই। আমাদেরই জয় হবে।’

আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, ‘আমি ধানের শীষের বিপক্ষে নির্বাচন করছি না। খেজুর গাছের বিরুদ্ধে করছি। তৃণমূলের দাবি হলো, ধানের শীষের প্রার্থী চায় তারা। এ কারণে আমাকে বেছে নিয়েছে। ফলে আমি জয়ের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী।’

তবে বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেন, ‘খেজুর গাছের রন্ধে রন্ধে কেউ যদি ধানের শীষের গন্ধ না পায় তাহলে সে বিএনপি নেতা নন। বিএনপি দল থেকে আমাকে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ১২ তারিখ ভোটের বাক্সে সবকিছুর প্রমাণ হয়ে যাবে।’ 

নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর। বিএনপি দলীয় হাইকমান্ড থেকে তাকে ডেকে নিয়ে আলোচনা করা হয়। তবু তিনি নির্বাচন করার বিষয়ে অনড় থাকায় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

তবে এই স্বতন্ত্র প্রার্থীকে নিয়ে বিচলিত নন এই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী হবো। ধানের শীষ বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়যুক্ত হবে। যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন দল থেকে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোট থেকে চার জন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন- জামায়াতের প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. শাহজাহান, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম। তবে প্রতীক বরাদ্দের পর সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া। 

ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি আমার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। এই আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হলেন খেলাফত মজলিসের মো. শাহজাহান শিবলী। আমরা তার পক্ষে নির্বাচনে কাজ করবো।’

তবে এই আসনে বাকি দুজন প্রার্থীর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনও সুরাহা হয়নি। তারা এখনও নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন।  

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১০ দলীয় জোট থেকে দুজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন- জাতীয় নাগরিক পার্টির আব্দুল্লাহ আল আমিন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন। 

এ বিষয়ে পল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন দুই প্রার্থী। সংবাদ সম্মেলন করে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই আসনটি সমঝোতার মাধ্যমে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। ফলে জোটভুক্ত যেকোনো দল এখন থেকে প্রার্থী দিতে পারবে। এই আসনে নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তি বা দলকে জোটের পক্ষ থেকে এককভাবে মনোনীত করা হয়নি।’

তবে ভিন্ন কথা বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন। তিনি বলেন, ‘জোটের পক্ষ থেকে এই আসনে আমাকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। নয়টি দল এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আমার সঙ্গে থাকলেও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তাদের প্রার্থী সরিয়ে নেয়নি। আমি মনে করি, জোটের সিদ্ধান্তের প্রতি সবার শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত।’

গত ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে পাঁচটি আসনে ৫০ জন প্রার্থীর মধ্যে তিন জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ২১ জানুয়ারি ৪৭ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। পুনরায় আপিল করে ২২ জানুয়ারি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির আবু হানিফ। এতে পাঁচটি আসনে প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৮।

 

/এএম/
সম্পর্কিত
‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না’
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
থানার ভেতরে আটকে বিএনপি নেতাকে মারলো কারা?
সর্বশেষ খবর
বিচার বিলম্বে যত নাটকীয় চেষ্টা সোহেল ও তার স্ত্রীর
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলাবিচার বিলম্বে যত নাটকীয় চেষ্টা সোহেল ও তার স্ত্রীর
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর কারণ জানালো তদন্ত কমিটি
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর কারণ জানালো তদন্ত কমিটি
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
নিউ জিল্যান্ডের চার এমপির ওপর চীনের নিষেধাজ্ঞা
হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি
হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের