পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাকি আর মাত্র দুই দিন। সরকার ঘোষিত টানা সাত দিনের ছুটির আজ দ্বিতীয় দিন। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে বাড়ির পথে ছুটছেন হাজারো মানুষ। তবে প্রতি বছরের চিরচেনা যানজটের ভোগান্তি ছাপিয়ে এবারের ঈদযাত্রা এখন পর্যন্ত অনেকটাই স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন দেখা গেছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অনেকটাই ফাঁকা সড়কে কিছু যানবাহন চলাচল করছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এই মহাসড়কের কোথাও যানজট দেখা যায়নি। সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাচপুর থেকে রূপসী এলাকা পর্যন্ত কোথাও ফাঁকা আবার কোথাও কম যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মূল অংশে কোনও যানজট নেই। তবে মহাসড়কের সাইড লেনগুলোতে বিভিন্ন স্ট্যান্ড ও মোড়গুলোতে জটলা দেখা গেছে। এ ছাড়া ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের কাচপুর অংশ কিছুটা যানজট আছে। মুড়াপাড়া, বরপাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে কোথাও কোথাও জটলা দেখা গেছে।
কুমিল্লার তিশা পরিবহনের বাসচালক আব্দুর রহিম বলেন, ‘আজ সকাল থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট পাইনি। তবে সন্ধ্যা থেকে যাত্রী ও পরিবহন বাড়লে যানজট শুরু হতে পারে।’
ছেলেকে নিয়ে চট্টগ্রামের বাড়িতে রওনা দেওয়া আল-আমিন মিয়া বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে আগেভাগেই বাড়ি যাচ্ছি। আজ মহাসড়কে তেমন যানজট চোখে পড়েনি। আশা করি, ভালোভাবেই বাড়িতে পৌঁছাতে পারবো।’
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সকাল থেকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোথাও যানজট নেই। তবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মুড়াপাড়াসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে থেমে থেমে জটলার সৃষ্টি হলেও যানজট নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। দুটি মহাসড়কের যানজট এখনও তৈরি হয়নি। তবে আজ সন্ধ্যার পর থেকে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ বাড়তে পারে। কারণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাল থেকে ছুটি শুরু হচ্ছে। এজন্য আজ রাতে এবং কালকে যানবাহন বাড়লে যানজট হতে পারে। তবে না হওয়ার সম্ভবনাই বেশি।’









