শরীয়তপুরে প্রতিদিন বাড়ছে হামের রোগী। গত ১০ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি আট জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ছয় জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকি দুজন ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে হামের নমুনা পরীক্ষার কোনও মেশিন নেই জেলায়।
শরীয়তপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, জাজিরা উপজেলার বিকেনগর মাদবরকান্দি গ্রামের মনির হোসেনের ৮ মাস বয়সী মেয়ে মালিহা অসুস্থ হয়ে পড়লে গত রবিবার তাকে স্বজনরা জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা সেখানে তার শরীরে হামের লক্ষণ দেখতে পান। তখন ওই শিশুর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে স্বজনরা তাকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। ৩০ মার্চ বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশু মারা যায়। পাশাপাশি আরেক শিশু মারা গেছে। প্রতিদিন পাঁচ থেকে সাত জনের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে পরীক্ষার জন্য। এগুলোর প্রতিবেদন আসতে সময় লাগে তিন থেকে চার দিন। এ পর্যন্ত ৪৩ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে আট জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। তাদের সদর হাসপাতাল ও ঢাকায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন রেহান উদ্দিন বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমরা ৪৩ জনের নমুনা ঢাকায় পাঠিয়েছি। তার মধ্যে আট জনের হামের পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে। যেহেতু আমাদের এখানে পরীক্ষা করার কোনও মেশিন নেই, সে কারণে নমুনা ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। তিন থেকে চার দিন সময় লাগে সেই নমুনা রেজাল্ট আসতে। এ ছাড়া গত ১০ দিনে দুই শিশু মারা গেছে হামের উপসর্গ নিয়ে। প্রতিদিনই রোগী আসছে হাসপাতালে।’









