ফরিদপুরে বাস পোড়ানোর মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মজনুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তবে গ্রেফতারের পর পুলিশ হেফাজতে অসুস্থ হয়ে পড়লে আদালতে সোপর্দ না করে গোপনে বিকাল ৪টার দিকে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যে বাসটি পোড়ানোর মামলায় শহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেই ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৮ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর সদরের করিমপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে রাত সাড়ে ১০টার দিকে। দুর্ঘটনাকবলিত পূর্বাশা পরিবহনের একটি বাস ওই পুলিশ ফাঁড়ির কাছে মামলার আলামত হিসেবে জব্দ করা অবস্থায় ছিল। ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে বাসেটিতে আগুন লেগেছিল। এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে শহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শহিদুলকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বাসে অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাঙচুর, নাশকতা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মোট ১৪টি মামলা আছে।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। সর্বশেষ একটি বাস পোড়ানোর মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তবে থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় শহিদুল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে আদালতে সোপর্দ করার বদলে বিকালে পুলিশ পাহারায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’