চুরি যাওয়ার প্রায় একমাসেও উদ্ধার হয়নি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুটি তরবারি। শিলাইদহ কুঠিবাড়ি থেকে তরবারি চুরির পর থানায় সাধারণ ডায়েরি ও মামলা করা হয়। সবশেষ তদন্ত কমিটির ঘটনাস্থল পরিদর্শনেই থেমে আছে উদ্ধার কাজ।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, যেকোনও মূল্যে খোয়া যাওয়া তরবারি উদ্ধার করা হবে। অপরাধীদের পায়ের ছাপ শনাক্ত করে তদন্ত কাজ চলছে।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ মার্চ শিলাইদহ কুঠিবাড়ির দ্বিতীয় তলার ২০১ নম্বর কক্ষ থেকে আলমারিতে রাখা পাঁচটি তরবারির মধ্যে দুটি চুরি হয়ে যায়। এরপর গত ২ এপ্রিল সন্ধ্যায় কুঠিবাড়ির তত্ত্বাবধায়ক মখলেচুর রহমান কুমারখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরবর্তীতে গত ৫ এপ্রিল তরবারি চুরির ঘটনায় কুমারখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করেন কুঠিবাড়ির তত্ত্বাবধায়ক মখলেচুর রহমান ভূঁইয়া। মামলার পর কুঠিবাড়ির ৫ কর্মচারীকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তবে কারা এটি চুরি করেছে এ ব্যাপারে সঠিক কোনও তথ্য দিতে পারেননি তারা।
আরও পড়তে পারেন: কুষ্টিয়ার কুঠিবাড়ি থেকে রবীন্দ্রনাথের দুটি তরবারি চুরি
এর আগে, ঢাকার প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের প্রশাসনিক বিভাগের উপপরিচালক গাজী ওয়াসিউল হকের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তদলের সদস্যরা কুঠিবাড়ির দোতলা ঘরের ওই আলমারি পরিদর্শন করেন। তারা কুঠিবাড়ির তত্ত্বাবধায়কসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।
সে সময় প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের প্রশাসনিক বিভাগের উপপরিচালক গাজী ওয়াসিউল হক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আগামী তিন থেকে পাঁচদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। সবগুলো বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুরক্ষিত কক্ষ থেকে এবং নিরাপত্তাকর্মীদের উপস্থিতিতে কীভাবে এরকম চুরির ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার দিন সেখানে সিসি ক্যামেরা বন্ধ থাকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
/এমও/








