ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসার খবরে দুর্যোগপ্রবণ এলাকার লোকজনকে সরে আসার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে সকাল থেকেই বরগুনায় বৃষ্টি ঝরছে বলে জানা যায়।
বরগুনায় ৫ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত সরিয়ে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেওয়ায় জেলা প্রশাসন, রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিপির পক্ষ থেকে মাইকিং করে উপকূলে বেড়িবাঁধের বাইরে বসবাসরত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল থেকে দুপুর নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
বরগুনার জেলা প্রশাসক ড. মু. বশিরুল আলম বলেন, জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সেই সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকে সার্বিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, সরকারি, বেসরকারি সংগঠনসহ রেড ক্রিসেন্ট, সিপিপি ও সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রায় ১৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানকারী সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
বরগুনা নদী বন্দরের পক্ষ থেকে বুড়িশ্বর, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীতে সব ধরনের নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বরগুনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা করে সকল প্রতিষ্ঠানকে প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ছুটিও বাতিল করা হয়েছে।
বরগুনা সদর উপজেলার সিপিপির টিম লিডার মো. জাকির হোসেন মিরাজ বলেন, সিপিপির সকল এলাকার সদস্যরা ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে।
আরও পড়ুন: বাগেরহাটে আশ্রয় কেন্দ্রে সাত হাজার অধিবাসী
/এইচকে/এপিএইচ/








